Wednesday 01 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

স্যুটকেসে মডেলের লাশ!

এন্টারটেইনমেন্ট ডেস্ক
১ জুলাই ২০২৬ ১৭:৪৮

কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোতার একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট থেকে সম্প্রতি উদ্ধার করা হয়েছে জনপ্রিয় মডেল ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার নাটালিয়া ভিয়ালবার স্যুটকেসবন্দি মরদেহ। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ড বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করেছে। রহস্য উন্মোচনে নেমে ইতিমধ্যেই এক ব্রিটিশ নাগরিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, যা এই ঘটনায় নতুন মোড় এনে দিয়েছে।

পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, গত ৩ জুন থেকে বোগোতার ওই বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে অবস্থান করছিলেন নাটালিয়া। ২১ জুনের মধ্যে তার ফ্ল্যাট ছাড়ার কথা থাকলেও তিনি আর জীবিত ফিরতে পারেননি। পরদিন অর্থাৎ ২২ জুন ওই ফ্ল্যাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে যান এক কর্মী। বাথরুমে রাখা একটি ট্রাভেল স্যুটকেসের ভেতর নাটালিয়ার মরদেহ দেখে তিনি পুলিশে খবর দেন। কলম্বিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় দাবি করেছে, নাটালিয়া ফ্ল্যাটে একা থাকাকালে সেখানে প্রবেশ করে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এরপর অপরাধের প্রমাণ গোপন করার উদ্দেশ্যে মরদেহটি স্যুটকেসে ভরে বাথরুমে লুকিয়ে রাখা হয়। সিসিটিভি ফুটেজেও সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে ফ্ল্যাট থেকে বিছানার চাদর ও অন্যান্য সামগ্রী সরিয়ে নিতে দেখা গেছে।

বিজ্ঞাপন

হত্যাকাণ্ডের প্রধান সন্দেহভাজন ম্যাথিউ অ্যাশলে ফস্টার-স্মিথ নামের এক ব্রিটিশ নাগরিক। অভিযোগ উঠেছে, হত্যাকাণ্ডের পর তিনি ভুয়া পরিচয় এবং জাল পাসপোর্ট ব্যবহার করে কলম্বিয়া থেকে সীমান্ত পার হয়ে ইকুয়েডরে পালিয়ে যান। তবে পার পাননি তিনি। কলম্বিয়া, ইকুয়েডর ও যুক্তরাজ্যের ডরসেট পুলিশের যৌথ অভিযানে গত ২৬ জুন ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে কিতো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

অবশ্য গ্রেফতারের আগে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাথিউ নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। তার দাবি ছিল, ঘটনার সময় তিনি একটি আইরিশ বারে বসে ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যকার ফুটবল ম্যাচ দেখছিলেন। মাঝখানে কিছুক্ষণের জন্য একটি শপিং সেন্টারে গিয়ে আইসক্রিম খেয়ে আবারও খেলা দেখতে ফিরে আসেন। তবে ব্রিটিশ পুলিশের তথ্য বলছে ভিন্ন কথা। ম্যাথিউর অপরাধের রেকর্ড এটাই প্রথম নয়। ২০২৩ সালে এক ব্যক্তিকে উত্যক্ত ও হয়রানির দায়ে তিনি দুই বছরের কারাভোগ করেছিলেন। ঘটনার সব তথ্য উপাত্ত খতিয়ে দেখে এই আন্তর্জাতিক অপরাধের রহস্যভেদে কাজ করছে তিন দেশের পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর