হিলি: জয়পুরহাটের পাঁচবিবি সীমান্তে বিশেষ অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ২ কোটি ২৭ লাখ ৮৩ হাজার টাকা মূল্যের ১০টি সোনার বার জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ ঘটনায় মো. মামুনুর রশীদ (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে পাঁচবিবি উপজেলার হাটখোলা বিওপি-সংলগ্ন একটি ধানখেতের কাদার ভেতর থেকে সোনার বারগুলো উদ্ধার করা হয়। আটক মামুনুর রশীদ উপজেলার রতনপুর গ্রামের মো. জালাল উদ্দিনের ছেলে। বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বিজিবি।
বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারির অংশ হিসেবে ভোর ৪টা ৩২ মিনিটে জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) সদর ও হাটখোলা বিওপির একটি যৌথ টহলদল অভিযান চালায়।
সকাল ৯টা ২০ মিনিটের দিকে ধানখেতে কাজ করার অজুহাতে আসা এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে চ্যালেঞ্জ করেন বিজিবি সদস্যরা। আগে থেকে পাওয়া গোয়েন্দা তথ্যের সঙ্গে তার বর্ণনা মিলে যাওয়ায় তাকে থামতে বলা হয়। এ সময় তিনি পালানোর চেষ্টা করলে তাকে ধাওয়া করে আটক করা হয়।
বিজিবির ভাষ্য, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে মামুনুর রশীদ সোনার বার বহনের বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ধানখেতের কাদার ভেতর পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় লুকিয়ে রাখা ১০টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি জানায়, উদ্ধার করা ২২ ক্যারেটের ১০টি সোনার বারের মোট ওজন ১০১ ভরি ৯ আনা ২ রতি, অর্থাৎ ১ কেজি ১৮৫ গ্রাম। এসব সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ২৭ লাখ ৮৩ হাজার টাকা। এ ছাড়া আটক ব্যক্তির কাছ থেকে চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলফোন ও দু’টি সিম কার্ড জব্দ করা হয়েছে।
জয়পুরহাট ২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সবসময় জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে আসছে। দেশের সীমান্ত সুরক্ষিত রাখতে এবং চোরাচালান রুখতে এই ধরনের কঠোর ও বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’