Wednesday 01 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ফাঁসির রায়ের পর কাঁদলেন স্বপ্না, নির্বাক সোহেল

স্টাফ করেসপন্ডেট
৭ জুন ২০২৬ ১৪:৩২ | আপডেট: ৭ জুন ২০২৬ ১৬:০৯

রামিসা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার। ছবি: সারাবাংলা 

ঢাকা: রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার আলোচিত মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার পর আদালতকক্ষে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কাঁদতে দেখা যায় স্বপ্নাকে, আর সোহেল রানা ছিলেন সম্পূর্ণ নির্বাক।

রোববার (৭ জুন) ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রায় ঘোষণার সময় সোহেলকে মুখে মাস্ক পরে দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। অন্যদিকে স্বপ্না আক্তার কাঠগড়াতেই বসে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তবে আদালতকক্ষের বাইরে ও ভেতরে উপস্থিত অনেকেই এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং হাততালির মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান।

বিজ্ঞাপন

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে রামিসার গলা কাটা খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পরপরই প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ফতুল্লা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও আটক করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্তে বিভিন্ন আলামত, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করে পুলিশ। পরে ২৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। বিচারিক কার্যক্রমে রাষ্ট্রপক্ষ দাবি করে, উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও ফরেনসিক বিশ্লেষণে আসামিদের অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের দাবি ছিল, মামলায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণের ঘাটতি রয়েছে। তবে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

আলোচিত এ মামলায় তদন্ত, অভিযোগপত্র দাখিল, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্কসহ পুরো বিচারিক কার্যক্রম মাত্র ১৯ দিনের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

সারাবাংলা/টিএম/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর