Wednesday 01 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

কম্বোডিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ৭৮ বাংলাদেশি

ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট
১৭ জুন ২০২৬ ১৫:৫০ | আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬ ২৩:২০

কম্বোডিয়া থেকে দেশে ফেরা বাংলাদেশিরা। ছবি: সংগৃহীত

কম্বোডিয়ার বিভিন্ন সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে উদ্ধার আরও ৭৮ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) দিবাগত রাতে থাই এয়ারওয়েজের এক‌টি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা। এ নিয়ে গত ৪ দিনে সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে ২২১ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন।

আগের ৩ দিনের মতো মঙ্গলবার রাতে ফেরত আসা সবাইকে বিমানবন্দরে সিভিল অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটির স‌ঙ্গে মিলে জরুরি সহায়তা ও বাড়িতে পৌঁছানোর জন্য অর্থ সহায়তা করেছে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম।

ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান জানান, সাইবার স্ক্যাম নিয়ে সবার সচেতনতা জরুরি। এটি মানবপাচারের ভয়াবহ এক ধরন। ভালো চাকরির কথা বলে বিদেশে নিয়ে সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ডে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অনলাইন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে বাধ্য করা হতো।

বিজ্ঞাপন

বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন উন্নত দেশের নাগরিকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত সাইবার স্কাম কার্যক্রমে অংশ নিতে তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হতো। নির্ধারিত লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হলে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হতো।

শরিফুল হাসান জানান, কম্বোডিয়ার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের ফলে কয়েকটি স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে এসব বাংলাদেশিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। ৩ দিন মিলে ২২১ জন বাংলাদেশির ফেরত আসা প্রমাণ করে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি এভাবে প্রতারণা ও নির্যাতনের শিকার। ফেরত আসা বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি মামলা করেছেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পুরো ঘটনার যথাযথ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরে ১৫ হাজার ৯২১ জন কর্মী চাকরি নিয়ে কম্বোডিয়া যান। ফেরত আসা বাংলাদেশিরা জানান, হাজার হাজার কর্মী চাকরি না পেয়ে সেখানে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অথচ বিদেশে ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সবাইকে কম্বোডিয়ায় পাঠানো হয়েছিল।