Sunday 06 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ধর্মীয় উগ্রবাদ রুখতে ‘মডেল মসজিদ’ হবে মূল ভিত্তি: ধর্মমন্ত্রী

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
১৩ জুলাই ২০২৬ ২৩:৩৩ | আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬ ০৯:৫৫

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।

ঢাকা: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল-আশুগঞ্জ এবং বিজয়নগর উপজেলার কিছু অংশে তরুণ সমাজকে ধর্মীয় উগ্রবাদ, অপপ্রচার ও সামাজিক বিভাজন থেকে দূরে রাখতে স্থানীয় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোকে মূলভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।

সোমবার (১৩ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৩তম দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান। এদিন বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া সংসদের গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

বিজ্ঞাপন

সংসদে রুমিন ফারহানা তার লিখিত প্রশ্নে জানতে চেয়েছিলেন, সরাইল-আশুগঞ্জ এবং বিজয়নগর উপজেলার আংশিক এলাকায় ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সামাজিক বিভাজন প্রতিরোধে তরুণদের জন্য সচেতনতামূলক ধর্মীয় শিক্ষা ও সম্প্রীতি কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়ে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

এর জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সামাজিক শান্তি, সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা অক্ষুণ্ন রাখতে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক এবং এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে নানামুখী সচেতনতামূলক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। যুবসমাজের মনস্তাত্ত্বিক উন্নয়ন ও উগ্রবাদ প্রতিরোধের লক্ষ্যে স্থানীয় আলেম, ওলামা, ইমাম এবং খতিবগণের সরাসরি অংশগ্রহণে জুমার খুতবা, নিয়মিত ধর্মীয় সেমিনার ও সম্প্রীতি সভার আয়োজন করা হচ্ছে, যেখানে উগ্রবাদ ও গুজবের কুফল সম্পর্কে তরুণদের বিশেষভাবে সচেতন করা হয় বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, ওই এলাকার সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি সুদৃঢ় রাখতে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ ও সম্প্রীতি সমাবেশ নিয়মিত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামীতে স্থানীয় সংসদ সদস্যের পরামর্শ ও সক্রিয় সহযোগিতায় যুব সমাজের জন্য এই ধরনের সচেতনতামূলক, নৈতিক শিক্ষা ও সামাজিক সম্প্রীতি কার্যক্রম আরও বেগবান করবার পরিকল্পনা সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।

তিনি বলেন, শুধু ইসলামিক ফাউন্ডেশনই নয়, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে সচেতনমূলক কার্যক্রমে পুরোহিত ও সেবাইতদের বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে থাকে।

তিনি আরও বলেন, খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে ছাত্র ও যুবকদের জন্য নীতি-নৈতিকতা বিষয়ক কর্মশালা নিয়মিত আয়োজন করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতা বৃদ্ধিকরণ’ শীর্ষক একটি নতুন ও বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সারাবাংলা/এফএন/এসএস
বিজ্ঞাপন

হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭:১৭

আরো

সম্পর্কিত খবর