Wednesday 01 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

টাঙ্গাইলে ভাঙন রোধে যমুনা নদীতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হবে: পানি সম্পদমন্ত্রী

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
২২ মে ২০২৬ ১৬:৪০

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী।

টাঙ্গাইল: পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী বলেছেন, যমুনা নদীর ভাঙনের কারণে প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বর্তমান সরকার নদী ভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ এবং জনগণের স্বার্থে আগামী অর্থবছর থেকেই টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হবে।

শুক্রবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের চরপৌলি এলাকার নদীভাঙন কবলিত স্থান পরিদর্শন এবং নদীর তীরবর্তী মিন্টু মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ভাঙনকবলিত মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

মন্ত্রী বলেন, যমুনা নদীর ভাঙনে প্রতি বছর নদীপাড়ের অসংখ্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ দুর্ভোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। টাঙ্গাইলের যমুনা নদীভাঙন কবলিত এলাকাগুলো সুরক্ষায় প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে যা আগামী অর্থবছরেই এর কার্যক্রম শুরু হবে।

তিনি আরও বলেন, যমুনা নদীর ভাঙনের ফলে প্রতিবছর ফসলি জমি, ঘরবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের পাশাপাশি এ অঞ্চলের উন্নয়নে সড়ক নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করা হবে এবং স্থানীয় মানুষের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হলে নদীভাঙন থেকে হাজারো মানুষ রক্ষা পাবে এবং এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আমরা যা বলি, তাই করি। নির্বাচনের আগে যমুনার ভাঙন রোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সরকার তা বাস্তবায়নে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানের বক্তব্য দেন, জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. শাহজাহান সিরাজসহ অন্যান্যরা।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহিন মিয়া, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাবেক সহ-সভাপতি জিয়াউল হক শাহীন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুসহ অন্যান্যরা।

এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।