ঢাকা: শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে ‘শি জিনপিং: দ্য গভর্ন্যান্স অব চায়না’ গ্রন্থের পঞ্চম খণ্ড নিয়ে চীন-শ্রীলঙ্কা রিডার্স ফোরাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দুই দেশের সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ, গবেষক ও গণমাধ্যমকর্মীসহ প্রায় ৩০০ জন অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্টের স্পিকার জগত বিক্রমারত্নে বলেন, গ্রন্থটির নতুন খণ্ড চীনের রাষ্ট্র পরিচালনা, উন্নয়ন দর্শন, উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নীতিমালা সম্পর্কে বিশ্বকে আরও গভীরভাবে জানার সুযোগ করে দিয়েছে। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন-শ্রীলঙ্কা সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে আরও দৃঢ় হয়েছে এবং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই)-এর আওতায় দুই দেশের উচ্চমানের সহযোগিতা নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। আন্তরিক সহযোগিতা ও দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের ভিত্তিতে কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও এগিয়ে নিতে শ্রীলঙ্কা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শ্রীলঙ্কায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ছি ঝেনহং বলেন, বইটি নতুন যুগে চীনের আধুনিকায়ন অভিযাত্রা ও বাস্তব অভিজ্ঞতার একটি বিস্তৃত দলিল। এতে জনগণকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা, সার্বিক সংস্কার, মৌলিক নীতিতে অটল থেকে উদ্ভাবনের পথ অনুসরণ এবং চীনা কমিউনিস্ট পার্টির রাষ্ট্র পরিচালনার দর্শন তুলে ধরা হয়েছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এ গ্রন্থ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
শ্রীলঙ্কার শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষা বিষয়ক উপমন্ত্রী মধুরা সেনেভিরাথ্না বলেন, পঞ্চম খণ্ডে চীনের আধুনিকায়নের অভিজ্ঞতা সুসংগঠিতভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। জাতীয় উন্নয়নে শিক্ষার কৌশলগত গুরুত্ব, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিকাশ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের ক্ষেত্রে বইটি শ্রীলঙ্কাসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য মূল্যবান দিকনির্দেশনা হতে পারে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন চায়না ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিকেশনস গ্রুপের (সিআইসিজি) ভাইস প্রেসিডেন্ট ইউ তাও, শ্রীলঙ্কার কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক গিগানাগে উইরাসিংহে।