ইনজুরি কাটিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে মাঠে ফিরলেও জাতীয় দলের হয়ে বিশ্রামে থাকায় সমালোচনা শুনছিলেন তিনি। বিশ্রামে থাকার সময় নৈশক্লাবে গিয়ে বিতর্কটা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন কিলিয়ান এমবাপে। বিশ্রামে থেকেও জাতীয় দলের অধিনায়ক কেন নৈশক্লাবে, এ নিয়ে নানা কটাক্ষ শুনতে হচ্ছে এমবাপেকে। তবে এসবের মাঝেও সতীর্থদের পাশে পাচ্ছেন ফ্রান্স দলের অধিনায়ক।
২৪ সেপ্টেম্বর লা লিগার ম্যাচে আলাভেসের বিপক্ষে বাঁ পায়ের উরুতে চোট পান এমবাপে। ধারণা করা হয়েছিল, সেরে উঠতে ৩ সপ্তাহ লাগতে পারে তার। তবে এর আগেই সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরেছেন এমবাপে। চ্যাম্পিয়নস লিগে লিলের বিপক্ষে ম্যাচে তিনি খেলেছেন ৩৫ মিনিট। গত সপ্তাহে লা লিগায় ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে পুরোটা সময়ই মাঠে ছিলেন তিনি। তবে রিয়ালের হয়ে খেললেও নেশনস লিগের দুই ম্যাচে বিশ্রামে আছেন এমবাপে। এ নিয়ে কম সমালোচনা শুনতে হয়নি তাকে।
এসবের মাঝেই সুইডিশ সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এমবাপের একটি ছবি। সেখানে দেখা যায়, ইসরাইলের বিপক্ষে ম্যাচ চলার সময় এমবাপে সুইডেনের একটি নৈশক্লাবে গিয়েছিলেন। এতে সমালোচনার আগুনে যেন ঘি পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফরাসী সমর্থকরা বলছেন, এমবাপে জাতীয় দলের হয়ে বিশ্রামে থাকলেও ব্যক্তিগত জীবনে ‘ফুর্তি’ করে বেড়াচ্ছেন।
তবে সমালোচনার এই ঝড়ের মাঝেও ফ্রান্স সতীর্থদের পাশেই পাচ্ছেন এমবাপে। ম্যাচ শেষে ভেসলে ফোফানা এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, এমবাপে তার ব্যক্তিগত জীবনে নিজের ইচ্ছামতো চলতেই পারেন, ‘ফাঁকা সময়ে একজন ফুটবলার নিজের ইচ্ছা যা ইচ্ছা করতে পারে। তার নৈশক্লাবে থাকা দলের মাঝে কোন প্রভাবই ফেলেনি। এমবাপে দারুণ পেশাদার একজন ফুটবলার, ফ্রান্সের সেরা ফুটবলার সে। আমরাই ব্যাপারটাকে বেশি বড় করে দেখছি বলে মনে হচ্ছে! সংবাদমাধ্যম তাকে নিয়ে একটু বেশিই প্রচার করে মাঝে মাঝে।’
ফ্রান্সের মিডফিল্ডার মাতেও গেন্দুজিও এমবাপের পক্ষেই মতামত দিয়েছেন, ‘এমবাপেকে নিয়ে আমাদের মাঝে কোন সংশয় নেই। দেশের প্রতি তার নিবেদন নিয়েও প্রশ্ন নেই। দেশকে সে ভালোবাসে। সে ছুটিতে আছে, এই সময়ে যে যা খুশি করতে পারে। তার এসব ব্যাপার নিয়ে আমাদের প্রশ্ন করা বন্ধ করতে হবে।’