Thursday 13 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ব্যর্থ: জাতীয় পার্টি

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
২১ নভেম্বর ২০২৪ ১৮:১০ | আপডেট: ২১ নভেম্বর ২০২৪ ১৯:৫৬

রংপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা অন্তর্বর্তী সরকার প্রসঙ্গে কথা বলেছেন। ছবি: সারাবাংলা

রংপুর: জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও রংপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা অন্তর্বর্তী সরকার প্রসঙ্গে বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ব্যর্থ। ১০০ দিন অতিবাহিত হলেও তারা নির্বাচনের কোনো রোডম্যাপ দিতে পারেনি। অথচ তারা একেক সময় একেক কথা বলছেন, যার কারণে মানুষের মনে নানা বিষয়ে প্রশ্ন দানা বাঁধছে।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে নগরীর সেন্ট্রাল রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন সাবেক মেয়র।

নির্বাচন প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান কাজ হচ্ছে একটা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেওয়া। ১৭ বছর ধরে যার অপেক্ষায় আছে দেশের মানুষ।’

বিজ্ঞাপন

জাতীয় পার্টির এই নেতা বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস অত্যন্ত উঁচুমানের মানুষ। কিন্তু উনিতো কোনো রাজনীতি করেন নাই, দেশ পরিচালনা করেন নাই। এজন্য দেশ পরিচালনায় অনেক ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কিছুটা উন্নতি হলেও অন্যান্য সব সেক্টরেই সমস্যা। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলার ক্ষেত্রে পুলিশ একেবারে নিষ্ক্রিয়। পুলিশ সক্রিয় না হলে নির্বাচন কীভাবে হবে। পুলিশের কাজ তো আর্মি দিয়ে হবে না। কেননা ভোটকেন্দ্র পুলিশ ছাড়া কে পাহারা দেবে? তাই পুলিশকে সক্রিয় করতে হবে সবার আগে।’

জাতীয় পার্টি কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের পক্ষে নয় উল্লেখ করে দলটির এই নেতা বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সবাই তো খারাপ নয়, তাদের মধ্যে ভালো রাজনীতিবিদও আছেন। যারা অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত সেটা জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগ বা বিএনপি যেই হোক না কেন, তাদের অপরাধের শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। কিন্তু যারা অপরাধ করেনি, দোষী না, তাদের রাজনীতি থেকে বিরত রাখার পক্ষে আমরা নই।’

রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন-জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসীর, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব আব্দুর রাজ্জাকসহ বিভাগের ৮ জেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা।

সারাবাংলা/এইচআই