Sunday 16 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

‘মমতার বক্তব্য বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি’

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
২ ডিসেম্বর ২০২৪ ২১:০৯ | আপডেট: ২ ডিসেম্বর ২০২৪ ২২:৩২

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি

ঢাকা: বাংলাদেশে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী পাঠানো সম্পর্কে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি স্বরূপ বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে লন্ডন থেকে মুঠোফোনে বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ অভিযোগ করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর লেন, ‘ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখমন্ত্রী যে উক্তি করেছেন বাংলাদেশ সম্পর্কে সে বিষয়ে আমি বক্তব্য না রেখে পারছি না। তিনি (মমতা বন্দোপাধ্যায়) যে উক্তি করেছেন বাংলাদেশে শান্তিবাহিনী প্রেরণের, এটা সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি স্বরূপ। আমরা মনে করি এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে ভারতে নেতৃবর্গের যে দৃষ্টিভঙ্গি, তা কিছুটা হলেও প্রকাশ হয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

‘পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের এই বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করা উচিত। এই ধরনের কোনো চিন্তা করা তাদের উচিত হবে না। কারণ, বাংলাদেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছে এবং সম্প্রতি একটা বিপ্লবের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছে। এদেশের মানুষ যেকোনো মূল্যে এই ধরনের চক্রান্ত রুখে দেবে’— বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ক্ষুন্ন হওয়া বা বিপন্ন হওয়ার যে অলীক কাহিনী ভারতীয় মিডিয়াগুলোতে প্রচারিত ও প্রকাশিত হচ্ছে তা কোনোমতেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা বারবার বলেছি, এখানে ভারতের সাংবাদিকরা এসছিলেন তারাও দেখেছেন। পশ্চিম বাংলা ও ভারতের অনেক নামকরা সাংবাদিক এসেছিলেন তারা দেখেছেন বাংলাদেশে এই ধরনের কোনো পরিস্থিতি নেই। অথচ ভারতবর্ষের মিডিয়া ও তাদের নেতৃবর্গ যেভাবে মিথ্যা প্রচার করছেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি দিচ্ছেন তা কোনো মতেই বাংলাদেশের মানুষ গ্রহণ করবে না।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাংলাদেশ সম্পর্কে যে কথাগুলো বলা হচ্ছে এবং অতি সম্প্রতি ইসকনকে (বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ) নিয়ে এখানে (বাংলাদেশে) নতুন করে যে চক্রান্ত শুরু হয়েছে, তা বাংলাদেশের মানুষ কখনই গ্রহণ করবে না। এটা খুব পরিষ্কার যে, ইসকনের সাম্প্রতিক ভূমিকা অত্যন্ত সন্দেহজনক, রহস্যজনক এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতি, বাংলাদেশের স্থিতিশীলতার প্রতি হুমকি স্বরূপ।’

সারাবাংলা/এজেড/পিটিএম