Monday 17 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

‘জি এম কাদের এত সাহস পায় কী করে’

স্পেশাল করসপন্ডেন্ট
৭ ডিসেম্বর ২০২৪ ২০:৩১ | আপডেট: ৭ ডিসেম্বর ২০২৪ ২৩:৩০

বাসাব ওহাব কলোনি কাজী অফিস সংলগ্ন রাস্তায় আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন রুহুল কবির রিজভী।

ঢাকা: ‘আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টি মিলে জনসমর্থন ৫০ শতাংশ’— জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রিজভী বলেছেন, ভারতের গোয়েন্দাদের ল্যাবরেটরিতে শেখ হাসিনা-জিএম কাদেরদের জন্ম। সেই জিএম কাদের এখনও এত বড় কথা বলার সাহস পায় কী করে?

তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার রক্ত ঝড়ানো যে দুঃশাসন, সেই দুঃশাসনের মধ্যে কত মায়ের যে বুক খালি হয়েছে, কত বোনের চোখ দিয়ে অশ্রু ঝড়ে পড়েছে, কত পিতা যে উন্মাদ হয়ে গেছে সন্তানের শোকে, তার কোনো শেষ নেই। সেই শেখ হাসিনার ১৭ বছরের নির্মম শাসনকে যারা বৈধতা দিয়েছে, তারা হলেন স্বৈরাচার এরশাদ, তার ভাই, এরশাদের স্ত্রী। সেই জিএম কাদেররা আজ উঁচু গলায় কথা বলে কী করে?’

বিজ্ঞাপন

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলে বাসাব ওহাব কলোনি কাজী অফিস সংলগ্ন রাস্তায় আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

গুম হওয়া সবুজবাগ থানা ছাত্রদল নেতা সুজন ও ফরহাদকে ফিরে পাবার দাবিতে এ সমাবেশ আয়োজন করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি।

রিজভী বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারকে সবাই সমর্থন দিয়েছে। তাদের কাজ কি শুধু গদির মধ্যে বসে থাকা? এসি রুমের মধ্যে বসে থাকা? আপনারা এই চার মাসে কী করেছেন দেখাতে পারবেন? আজকেও সয়াবিন তেল কেন ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা কেজি হবে? এই জন্যই কি অন্তর্বর্তী সরকারকে জনগণ সমর্থন দিয়েছে?এখনও তো বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে আওয়ামী লীগের লোকেরা।’

পার্শ্ববর্তী দেশে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবিরাম অপপ্রচার চলছে অভিযোগ করে রিজভী বলেন, ‘বাংলাদেশ নাকি তুর্কি ড্রোন নিয়ে এসে সীমান্তে বসিয়েছে। ঢাহা একটি মিথ্যা কথা। এর কয়েকদিন আগে ‘রিপাবলিক বাংলা’ বলে বেড়ালো চট্টগ্রামকে ভারতের অংশ হিসেবে দাবি করতে হবে, এত সাহস কোথায় থেকে পায় তারা? ড. ইউনূসকে সবাই সম্মান করি। তাকে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিরবিচ্ছিন্নভাবে সমর্থন দিয়েছে। কেন তিনি দুর্বলতা প্রকাশ করবেন?’

সমাবেশে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, বিএনপি নির্বাহী সদস্য হাবিবুর রশিদ হাবিব প্রমুখ।

সারাবাংলা/এজেড/এইচআই