Tuesday 18 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় বংশোদ্ভূত সাবেক এআই বিশেষজ্ঞের মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৪ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৬:০৭ | আপডেট: ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৯:০৬

সুচির বালাজি।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশেষজ্ঞ সুচির বালাজির (২৬) রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তিনি মার্কিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উৎপাদনকারী কোম্পানি ওপেন এআইয়ে দীর্ঘ চার বছর কর্মরত ছিলেন এবং প্রতিষ্ঠানটির দুর্নীতির তথ্য ফাঁস করেছিলেন।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্পতি ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ফ্রান্সিসকো শহরের বুচানন স্ট্রিট এলাকায় বালাজির নিজ ফ্ল্যাট থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে একে আত্মহত্যার ঘটনা বলেই মনে করছে পুলিশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সুচির ওপেনএআই সংস্থায় যোগ দেন ২০২০ সালের নভেম্বরে। ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত সেখানে গবেষক হিসাবে কাজ করেন। বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাপ্লিকেশন চ্যাটজিপিটি। এই চ্যাটজিপিটির তৈরি করেছেন ওপেনএআই। ২০১৫ সালে ইলন মাস্ক এবং স্যাম অল্টম্যান একসঙ্গে এই সংস্থাটির সূচনা করেছিলেন। পরে ২০১৮ সালে মাস্ক ওই সংস্থা থেকে বেরিয়ে আসেন।

বিজ্ঞাপন

ওপেনএআইয়ের মালিক অল্টম্যানের সঙ্গে মাস্কের বিরোধ অনেকেরই জানা। সুচিরের মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন ইলন মাস্ক। মৃত্যুর খবরটি সমাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে তিনি লিখেছেন কেবল একটি শব্দ— ‘হুমম’।

স্যান ফ্রান্সিস্কোর বুচানন স্ট্রিটের অ্যাপার্টমেন্টে থাকতেন সুচির। গত ২৬ নভেম্বর সেখান থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। খবরটি প্রকাশ্যে এসেছে শনিবার। স্যান ফ্রান্সিস্কো মুখপাত্র রবার্ট রুয়েকা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে সুচিরের মৃত্যুকে আত্মহত্যার ঘটনা বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, প্রাথমিক তদন্তে কোনো ষড়যন্ত্রের প্রমাণ মেলেনি।

ওপেনএআই-এর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন সুচির। তিনি প্রকাশ্যেই দাবি করেছিলেন, তার কর্মরত প্রতিষ্ঠান কপিরাইট আইন ভঙ্গ করছে। চ্যাটজিপিটির মতো প্রযুক্তি ইন্টারনেটের ক্ষতি করছে বলেও দাবি করেছিলেন তিনি।

চ্যাটজিপিটি নিয়ে দেড় বছরের বেশি সময় কাজ করেছিলেন সুচির। সংস্থার বিরুদ্ধে মুখ খোলার পরেই তার রহস্যমৃত্যু নতুন জল্পনা তৈরি করেছে।

সারাবাংলা/এইচআই