ঢাকা: নন-বন্ডেড কারখানাগুলোকে ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির আওতায় কাঁচামাল সোর্সিংয়ের অনুমতি দেওয়ার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) অনুরোধ জানিয়েছে তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি’ (বিজিএমইএ)।
বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে৷
এর আগে মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) বিজিএমইএ’র প্রশাসক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে সংগঠনের একটি প্রতিনিধিদল এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ দাবি জানায়। বিজিএমইএ সাপোর্ট কমিটির সদস্য ইনামুল হক খান (বাবলু), আসিফ আশরাফ ও মো. শিহাবুদ্দোজা চৌধুরী প্রতিনিধি দলে ছিলেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এনবিআর চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাতকালে শুল্ক এবং বন্ডেড ওয়্যারহাউস রেগুলেশন সম্পর্কিত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, বিশেষ করে এই ক্ষেত্রে উদ্যোক্তারা প্রতিনিয়ত যে চ্যালেঞ্জগুলোর সম্মুখীন হচ্ছেন, সেগুলো তুলে ধরে বিজিএমইএ প্রতিনিধি দল।
প্রতিনিধি দলটি পোশাক খাতের জন্য নির্বিঘ্ন এবং আরও দক্ষ ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করতে বাধাগুলো অপসারণের বিষয়ে এনবিআরের সহযোগিতা কামনা করেন।
বৈঠকে বিজিএমইএ প্রতিনিধিদল নন-বন্ডেড কারখানাগুলোকে স্থানীয়ভাবে কাঁচামাল সোর্সিংয়ের জন্য ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি খোলার অনুমতি দেওয়ার জন্য বর্তমান নিয়ম সংশোধনের বিষয়ে এনবিআরকে অনুরোধ জানান।
উল্লেখ্য, বিদ্যমান বিধান অনুযায়ী, কারখানাগুলো বন্ড লাইসেন্স ব্যতীত রফতানির উদ্দেশ্যে ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির মাধ্যমে কাঁচামাল ক্রয় করতে পারে না, যা কিনা নন-বন্ডেড কারখানাগুলোর জন্য উল্লেখযোগ্য বাধা তৈরি করে।
এনবিআর চেয়ারম্যান বিজিএমইএ প্রতিনিধিদলের দাবিগুলো মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেন, এনবিআর নন-বন্ডেড কারখানাগুলোকে ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি সুবিধা প্রদানের উপায়গুলো অনুসন্ধান করবে।
বৈঠকে বিজিএমইএ প্রতিনিধিদল তৈরি পোশাক শিল্পের প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে কাষ্টমস সংক্রান্ত নীতিগুলো সহজতর করা, বিশেষ করে আমদানিকৃত কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের ছাড়পত্রের জন্য প্রক্রিয়াগুলো সহজতর ও ত্বরান্বিত করার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে অনুরোধ জানান।
এ বিষয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান সেবাগুলোকে আরও দ্রুততর, সময় সাশ্রয়ী এবং আরও দক্ষ করার জন্য এনবিআর এর প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।