Monday 24 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

রাজশাহীতে পূজামণ্ডপে হামলার অভিযোগে থানা ঘেরাও

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৮:০৭ | আপডেট: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৮:০৯

নগরীর ফুদকিপাড়া এলাকায় পূজামণ্ডপে স্থানীয় কিছু ব্যক্তি এ হামলা চালান।

রাজশাহী: রাজশাহীতে স্বরস্বতী পূজামণ্ডপে হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। থানায় স্থানীয়দের বিরুদ্ধে প্যান্ডেল ও সাউন্ড বক্স ভাঙচুরের অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর ফুদকিপাড়া এলাকায় পূজামণ্ডপে স্থানীয় কিছু ব্যক্তি এ হামলা চালান।

এই ঘটনার পর সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নগরীর বোয়ালিয়া থানা ঘেরাও করে বিচার দাবি করেন। পরে রাতেই হিন্দু বৌদ্ধ কল্যাণ ফ্রন্টের রাজশাহীর সাধারণ সম্পাদক অশোক কুমার সাহা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। পরে ক্ষুদ্ধ সনাতনীরা মধ্যরাতে বিক্ষোভ শেষ করেন।

লিখিত অভিযোগে হামলাকারী হিসেবে শান্ত (৩৫), সানোয়ার (৩০), শাকিল (২৫), জীবন (৩০), আকাশ (৩০), দীপ্ত (৩০), শফিক (৩৫), আলো (২৬), সুইট (২৬) ও শিশির (৩০) নামের নয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের বাড়ি পার্শ্ববর্তী বড়কুঠিপাড়া মহল্লায় উল্লেখ করা হলেও অভিযোগে কারও বাবার নাম লেখা হয়নি।

বিজ্ঞাপন

এর আগে, হামলার সময় এক ব্যক্তি ফেসবুকে লাইভ দিতে শুরু করেন। এ সময় তিনি হামলাকারী হিসেবে একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের কথা বলেন। তবে লিখিত অভিযোগে কারও পরিচয় সুনির্দিষ্ট না থাকায় অভিযোগের ব্যাপারে কারও সঙ্গে কথা বলা যায়নি।

অভিযোগে বলা হয়, ‘ফুদকিপাড়া এলাকার মন্নুজান স্কুল মাঠে সপ্তসতী ও আশীর্বাদ সংঘের উদ্যোগে সরস্বতী পূজার আয়োজন করা হয়েছিল। রাতে সনাতনী যুবকেরা গানবাজনার সঙ্গে সেখানে নাচানাচি করছিল। তখন হামলাকারী যুবকেরা তাদের সঙ্গে এসে নাচানাচি শুরু করে। একপর্যায়ে তারা অতর্কিতভাবে লাঠিশোটা নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করে এবং প্যান্ডেল ও সাউন্ড বক্স ভাঙচুর করে। হামলাকারীরা মেয়েদেরও মারধর করে।’

পরে টহল পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন এগিয়ে গেলে তারা গালাগাল ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। তবে কেন বা কী কারণে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে তা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়নি।

বোয়ালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী মাসুদ বলেন, সকালেই প্রতীমা বিসর্জনের কথা ছিল। সকাল পর্যন্ত পুলিশও ছিল। কিন্তু তারা নাচগান করছিল। তখন রাতে ওই ঘটনাটা ঘটে গেছে। তবে প্রতীমা ভাঙচুর হয়নি। শুধু প্যান্ডেল আর সাউন্ড বক্স উলটে দেওয়া হয়।

ওসি বলেন, এ ব্যাপারে আমরা একটা লিখিত অভিযোগ নিয়েছি। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সারাবাংলা/ইআ