Monday 24 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

‘যদি ব্যাক ট্র্যাডিশন তৈরি করি আগামী দিন আপনার আমার বাড়ি ভাঙচুর হবে’

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৭:০৩ | আপডেট: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৯:১৩

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

ঢাকা: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, যদি ৬-৮ আগস্ট ৩২ নম্বরের বাড়ি ভাঙচুর করে পুকুর বানিয়ে মাছ চাষ করত, কেউ কিছু বলত না। ৬ মাস পরে আমাদের এই চেতনাবোধ আসল কেন? আমার যদি ব্যাক ট্র্যাডিশন তৈরি করি, তাহলে আগামী দিন আপনার আমার বাড়ি ভাঙচুর হবে। ভাঙচুরের নামে বাজে ট্র্যাডিশন চললে সংস্কার করে কী লাভ।

রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে ৩১ দফা ও জনসম্পৃক্তি’ শীর্ষক এ কর্মশালা আয়োজন করে ১২ দলীয় জোট।

গয়েশ্বর বলেন, ‘‘জনগণ অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করছে। এই অদৃশ্য শক্তিকে দৃশ্যমান করতে হবে। একজন (শেখ হাসিনা) ষড়যন্ত্র করে দেশে ছেড়ে পালিয়েছেন। এখন যারা নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র করছেন, তারা আগামী দিনে পালানোর সুযোগ পাবেন না।’’

বিজ্ঞাপন

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘‘বর্তমান সরকারকে পেছন থেকে কারা ইন্ধন দিচ্ছে, তা দেশের মানুষ জানে। সরকারের সংস্কারের পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে কি না- তা দেখা প্রয়োজন। কোনো কাল বিলম্ব না করে সময়মতো, যৌক্তিক টাইমে নির্বাচন দিন, সবাই স্যালুট জানাবে।’’

১২ দলীয় জোটের প্রধান মোস্তফা জামাল হায়দারের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জমিয়াতে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব মুফতি গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, বিকল্পধারার চেয়ারম্যান অধ্যাপক নুরুল আমিন বেপারী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সিনিয়র সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন পারভেজ।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির মহাসচিব আমিনুল ইসলাম, ইসলামী ঐক্য জোটের মহাসচিব মাওলানা আব্দুল করিম, ইসলামিক পার্টির মহাসচিব আবুল কাশেম, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান ফিরোজ মো. লিটন, নয়া গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান এম এ মান্নান প্রমুখ।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ১২ দলীয় জোটের সহস্রাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। তাদের মধ্যে ৩১ দফা নিয়ে আলোচনা করেন বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহাদি আমিন।

সারাবাংলা/এজেড/এসআর