Friday 21 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

চ্যাম্পিয়নস ট্রফি / অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে টানা তৃতীয় ফাইনালে ভারত

স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট
৪ মার্চ ২০২৫ ২২:১৫ | আপডেট: ৫ মার্চ ২০২৫ ০৩:০৯

৯৮ বলে ৮৪ রান করেছেন বিরাট কোহলি

২০১৩ সালে চ্যাম্পিয়ন, ২০১৭ সালের আসরে রানার আপ। আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির শেষ দুই আসরের ফাইনাল খেলা ভারত এবার সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে টানা তৃতীয় বার নিশ্চিত করল ফাইনাল। আজ ((মঙ্গলবার) দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার দেয়া ২৬৫ রানের লক্ষ্য ১১ বল হাতে রেখে ৬ উইকেট হারিয়ে টপকে গেল ভারত।

বিরাট কোহলির ৮৪, শ্রেয়াস আইয়ারের ৪৫, লোকেশ রাহুলের ৪২ ও শেষদিকে হার্দিক পান্ডিয়ার ২৪ বলে ২৮ রানের ইনিংসে পাওয়া ৪ উইকেটের এই জয়, কিছুটা হলেও প্রলেপ দিল ভারতের ক্ষতে। দুই দল সর্বশেষ মুখোমুখি হয়েছিল ২০২৩ বিশ্বকাপের ফাইনালে। সেই হারের জ্বালা খানিকটা বোধহয় কমল কোহলিদের এই প্রতিশোধে।

বিজ্ঞাপন

টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথের ৭১ ও অ্যালেক্স ক্যারির ৬১ রানের ইনিংসে ভর করে ৪৯.৩ ওভারে ২৬৪ রানে অল আউট হয় অস্ট্রেলিয়া। জবাবে ব্যাট করতে নেমে রোহিত শর্মা শুরু থেকেই খেলেন আগ্রাসী স্টাইলে।  তবে দলীয় ৪৩ রানের মধ্যেই প্রথম দুই ওপেনারকে হারায় ভারত। দুবাইয়ের স্লো উইকেটে সেখান থেকে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান বিরাট কোহলি ও শ্রেয়াস আইয়ারের জুটি। তৃতীয় উইকেটে দুজন গড়েন ১১১ বলে ৯১ রানের জুটি।

ব্যক্তিগত ৪৫ রানে অ্যাডাম জ্যাম্পার বলে শ্রেয়াস বোল্ড হলেও অপর প্রান্ত আগলে ছিলেন কোহলি। তুলে নেন ৭৩ তম ফিফটি। শ্রেয়াসের বিদায়ের পর কোহলির সাথে যোগ দেন অক্ষর প্যাটেল। নাথান এলিসের বলে বোল্ড হওয়ার আগে এই বাঁহাতি ব্যাটার ৩০ বল থেকে করেন ২৭ রান। অক্ষরের পর লোকেশ রাহুলের সাথেও ৪৭ রানের জুটি হয় কোহলির। সেই জুটিতেই মিলিয়ে যায় অজিদের ম্যাচে ফেরার শেষ সম্ভাবনাটুকু।

কোহলি যেভাবে ব্যাট করছিলেন তাতে মনে হচ্ছিল তার ৫২তম ওয়ানডে সেঞ্চুরিটা কেবল সময়ের অপেক্ষা। তবে জ্যাম্পাকে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে লং অনে ক্যাচ দেন তিনি। শটটা ব্যাটে বলে হয়নি, তাই ফিরতে হয় সেঞ্চুরি থেকে ১৬ রানের দুরত্বে। শেষদিকে হার্দিক পান্ডিয়ার তিন ছক্কা এক চারে ২৪ বলে ২৮ রানের ইনিংসেই জয় নিশ্চিত হয়। অবশ্য জয়ের মুহুর্তে মাঠে ছিলেন না তিনি, আউট হয়ে যাওয়াতে। দুটি করে উইকেট নেন এলিস ও জ্যাম্পা।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে ব্যর্থ হন ওপেনার কোনোলি। কিন্তু যাকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি চিন্তা ছিল ভারতের, সেই ট্রাভিস হেডই জীবন পেলেন দুইবার। শুরুটাও করেছিলেন স্বভাবজাত আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে। পাঁচ চার ও দুই ছক্কায় ৩৩ বলে করেন ৩৯ রান। সেই ইনিংস আর বড় হতে দেননি বরুণ চক্রবর্তী। তার বলে শুবমান গিলের হাতে ক্যাচ দেন হেড।

তিনে নেমে স্মিথ খেলেন ৭৩ রানের ইনিংস। তবে যেভাবে ফুলটস বলে বোল্ড হয়েছেন, সেটা ছিল বেশ দৃষ্টি কটু। স্মিথের বিদায়ের পর ৫৭ বলে ৬১ রান করে দলকে এগিয়ে নেন ক্যারি। তিন উইকেট নেন মোহাম্মদ শামি, দুটি করে উইকেট নেন বরুণ ও রবীন্দ্র জাদেজা।

সারাবাংলা/জেটি