Friday 21 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

বাংলাদেশের পরবর্তী টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক কে?

স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট
৮ মার্চ ২০২৫ ২৩:১২ | আপডেট: ৯ মার্চ ২০২৫ ০০:০৬

বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্বের চেয়ারটা এই মুহূর্তে ফাঁকা। বছরের শুরুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি ফারুক আহমেদ বলেছিলেন, নাজমুল হোসেন শান্ত টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব ছাড়ার কথা জানিয়েছেন। তবে তারপর বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি খেলেনি বলে সেই সময়ে নতুন অধিনায়ক খোঁজার বিষয়ে তাড়াহুড়া করতে হয়নি বিসিবিকে। এখন খুঁজতে হচ্ছে কারণ সামনেই টি-টোয়েন্টি সিরিজ।

বিসিবি সভাপতি জানালেন, নতুন অধিনায়ক হিসেবে কাকে বেছে নেওয়া হবে সে বিষয়ে পর্যালোচনা করছে বিসিবি। শিগগিরই ঘোষণা দেওয়া হবে।

নাজমুল হোসেন শান্তর ইনজুরিতে গত ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন লিটন দাস। অধিনায়ক হিসেবে সেই সিরিজে লিটন সফল ছিলেন। তিন ম্যাচ সিরিজের তিনটি ম্যাচই জিতেছিল বাংলাদেশ। লিটনের দল পরিচালনাও প্রসংশিত হয়েছিল। সে হিসেবে নতুন অধিনায়ক হিসেবে বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে লিটনের নামটা স্বাভাবিকভাবেই এগিয়ে থাকবে। অভিজ্ঞ লিটনের এই আগেও নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা আছে।

বিজ্ঞাপন

তবে পেসার তাসকিন আহমেদ, তাওহিদ হৃদয়দের নামও শোনা যাচ্ছে। কিন্তু তাসকিন পেসার বলে সব ম্যাচে তার খেলার নিশ্চয়তা কম, এই বিষয়টি ভাবাচ্ছে বিসিবিকে। তাওহিদ হৃদয় এখনো তরুণ। আর মেহেদি হাসান মিরাজের কথা ভাবা হলেও মিরাজ টি-টোয়েন্টি দলে নিয়মিত নয় বলে অনেকে আপত্তিও তুলছেন। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত লিটনের পাল্টাটাই ভারি। বিসিবি সভাপতিও আজ তেমনটা ইঙ্গিত দিলেন।

শনিবার (৮ মার্চ) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন ফারুক আহমেদ। টি-টোয়েন্টির নতুন নেতৃত্ব প্রশ্নে বিসিবি প্রধান বলেছেন, ‘এটা (টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব নিয়ে) আমরা সিদ্ধান্ত নেব। খুব শিগগিরই জানা যাবে। এরই মধ্যে দুই-একজন টি–টোয়েন্টিতে অধিনায়কত্ব করেছেন, যারা এখনও একদম দলের বাইরে নয়। এরকম থেকে কাউকে (অধিনায়কত্বে) আমরা চেষ্টা করব।’

ভারত ও শ্রীলংকা মিলিয়ে আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মাঠে গড়াবে ২০২৬ সালে। আসন্ন বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এখন থেকেই যাতে পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয় সেদিকে ইঙ্গিত বিসিবি সভাপতির।

ফারুক আহমেদ বলেন, ‘আমাদের চেষ্টা থাকবে। আমি আগামী বিশ্বকাপে (ভালো করার পরিকল্পনা) বিশ্বাস করি না। আমি যখন ২০০৭ সালে বিশ্বকাপে নির্বাচক ছিলাম, তামিম-সাকিব-মুশফিক ওরা লাইমলাইটে এসেছিল। বোর্ড থেকে একটা পলিসি দেওয়া হবে। আমরা বলে দেব কী চাই। ক্রিকেট অপারেশন্সের সঙ্গে আলাপ করে চিন্তা করব আমাদের ক্রিকেটটাকে কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়।’

সারাবাংলা/এসএইচএস