Friday 21 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ঢাকায় স্থানান্তর করা হচ্ছে তামিমকে

স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট
২৫ মার্চ ২০২৫ ১৯:১৩ | আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২৫ ২০:২৬

হার্ট অ্যাটাক করে সাভারের ফজিলাতুন্নেছা হাসপাতালে ভর্তি হওয়া তামিম ইকবালকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হচ্ছে। সাভারের হাসপাতাল থেকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ককে।

তামিমকে টানা বিশ্রাম দিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। তবে চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করেই তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হচ্ছে। পারিবারিক সিদ্ধান্তে তাকে এভার কেয়ারে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যায় সাভার থেকে ঢাকায় নিয়ে আসা হচ্ছে তামিমকে। ইফতারের পরের সময়টা যেহেতু রাস্তা ফাঁকা থাকে ফলে সেই সময়টাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এম্বুলেন্সে করে ঢাকায় নিয়ে আসা হবে তামিমকে।

বিজ্ঞাপন

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তামিমের প্রিমিয়ার লিগের দল মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সহ-সভাপতি মাসুদুজ্জামান। তিনি গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘এটি একটি পারিবারিক সিদ্ধান্ত। ডাক্তারদের সঙ্গে আলোচনা করেই নেওয়া হয়েছে। ইফতারের পর তারা (পরিবারের সদস্যরা) তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে আসবে এবং সেখানে পুলিশ প্রোটোকল থাকবে। সর্বোচ্চ মহল থেকে সিদ্ধান্তটি এসেছে। যেহেতু যানজট থাকে এবং ইফতারের পর রাস্তাগুলো ফাঁকা থাকবে, তাই স্থানান্তরের জন্য সেই সময়টি বেছে নেওয়া হয়েছে।’

এর আগে দুপুরে ফজিলাতুন্নেছা হাসপাতালের মিডিয়া পরিচালক ডাক্তার রাজীব হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আমরা তাকে এখান থেকে ছেড়ে দিতে পারব। কখন এবং কীভাবে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে তা তার পরিবার সিদ্ধান্ত নেবে। আমরা তাদের সবকিছু ব্যাখ্যা করেছি। আমরা পরিবারের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাব এবং সেই অনুযায়ী সহযোগিতা করব।’

সোমবার (২৪ মার্চ) সাভারের বিকেএসপিতে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ খেলার সময় অসুস্থ হয়ে পরেন তামিম ইকবাল। বুকে হালকা ব্যথা অনুভব হলে তাকে পার্শ্ববর্তী ফজিলাতুন্নেছা হাসপাতালে নেওয়া হয় তামিমকে। পরে কিছুটা ভালো অনুভব করলে হেলিকপ্টারে করে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে আসার ইচ্ছার কথা জানান তামিম। সে অনুযায়ী হেলিকপ্টারও ডাকা হয়।

কিন্তু হেলিকপ্টরে উঠার আগ মুহূর্তে আবারও হার্ট অ্যাটাক করেন তামিম। যেটাকে বলা হচ্ছে ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাক। প্রত্যাক্ষদর্শীদের মতে, সেই সময়টা ছিল খুবই ভয়াবহ। তামিমের শরীর ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিল। কোনো প্রকার সাড়া দিচ্ছিলেন না। জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন। এবং একটা সময় পালসও পাওয়া যাচ্ছিল না। সেই সঙ্গে মুখ দিয়ে ফেনা উঠছিল।

ফলে দ্রুত আবারও ফজিলাতুন্নেছা হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। দ্বিতীয় দফায় দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পর আইসিইউ’তে নেওয়া হয় তামিমকে। পরে তার হার্টে রিং পরানো হয়। চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ব্লক পুরোপুরি সচল হয়েছে। দীর্ঘক্ষণ পর জ্ঞান ফিরে তামিমের। পরে ধীরে ধীরে তার শরীরিক অবস্থা উন্নতি হয়েছে।

সারাবাংলা/এসএইচএস