Monday 17 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

প্রধানমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ: সঙ্কট মোকাবেলায় এক ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক বার্তা

সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক
১৭ আগস্ট ২০২৬ ২০:১৮ | আপডেট: ১৭ আগস্ট ২০২৬ ২১:০৪

রাজনীতিতে ক্ষমা চাওয়া বা দুঃখ প্রকাশ করা বিশেষ করে বাংলাদেশে একটি দুর্বলতা হিসেবে গণ্য করা হয়। যেখানে কোনো সঙ্কট দেখা দিলে সরকার প্রায়ই পূর্ববর্তী সরকারের ওপর দায় চাপাতে এবং বিরোধীরা সেই সঙ্কটকে সরকারের ব্যর্থতা হিসেবে তুলে ধরতে অভ্যস্ত। সেই রাজনৈতিক সংস্কৃতির মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদ্যুৎ ও গ্যাস সঙ্কটের কারণে মানুষের দুর্ভোগের জন্য সরাসরি দুঃখ প্রকাশ করে একটি ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী শনিবার (১৬ আগস্ট) ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘বিদ্যুৎ সঙ্কটের কারণে মানুষের যে কষ্ট হচ্ছে, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আল্লাহর রহমতে আশা করি, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে গ্যাস সঙ্কট অনেকটাই কমে আসবে।’

বিজ্ঞাপন

একজন সরকারপ্রধানের এমন বক্তব্য নিঃসন্দেহে গুরুত্ব পাওয়ার দাবি রাখে। কারণ ক্ষমা চাওয়া বা দুঃখ প্রকাশে বিদ্যুৎ বা গ্যাসের সঙ্কট দূর হবে না, কিন্তু মানুষের দুর্ভোগকে স্বীকার করা এবং তার জন্য রাজনৈতিক দায়বোধ প্রকাশ করা গণতান্ত্রিক নেতৃত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।

বর্তমান বিদ্যুৎ ও গ্যাস সঙ্কট এখন আর নিছক কোনো প্রশাসনিক সমস্যা নয়। এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে সরাসরি প্রভাবিত করছে। বিভিন্ন স্থানে বাসা-বাড়িতে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ অপ্রতুল। এছাড়া, জ্বালানী সঙ্কটে শিল্প-কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, ব্যবসায় ব্যয় বাড়ছে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে। লাখ লাখ মানুষের কাছে এটি এখন প্রতিদিনের বাস্তব দুর্ভোগ।

এমন পরিস্থিতিতে কোনো সরকারই স্বাভাবিকভাবে সমালোচনা এড়াতে পারে না। বরং রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে সহজ পথ হচ্ছে বাস্তবতা স্বীকার করে জনগনকে অবহিত করা যে, ‘সমস্যাটি আমরা তৈরি করিনি বরং উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছি।’

উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া এ ধরনের সঙ্কট বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন নয়। একটি সরকার ক্ষমতায় এসে পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে। অন্যদিকে, বিরোধীরা এর দায় বর্তমান সরকারের ওপরই চাপান। এরপর শুরু হয় অভিযোগ-পালটা অভিযোগ। অথচ সাধারণ মানুষ অপেক্ষা করে সমাধানের জন্য।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই ক্ষেত্রে ভিন্ন পথ বেছে নিয়েছেন। তিনি সঙ্কটের জন্য আগের সরকারের উত্তরাধিকার, আন্তর্জাতিক বাজার বা বৈশ্বিক পরিস্থিতিকে সামনে এনে নিজের দায় এড়ানোর চেষ্টা করেননি। বরং মানুষের কষ্টকে সামনে রেখে ক্ষমা চেয়েছেন। এখানেই এই বক্তব্যের রাজনৈতিক তাৎপর্য।

ক্ষমা চাওয়া কি দুর্বলতার লক্ষণ? মোটেই নয়। বরং একজন রাজনৈতিক নেতা যখন নিজের সরকারের সীমাবদ্ধতা বা মানুষের দুর্ভোগ স্বীকার করতে পারেন, তখন সেটি রাজনৈতিক আত্মবিশ্বাস ও পরিপক্বতা হিসেবে বিবেচিত হয়।

‘আমি দুঃখিত’ বলা সহজ নয়। বিশেষ করে একজন সরকারপ্রধানের জন্য তো নয়ই। কারণ এর সঙ্গে দায়িত্বের প্রশ্নটি সরাসরি যুক্ত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, তিনি মানুষের কষ্টকে অস্বীকার করেননি। তিনি বলেননি যে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং মানুষ অযথা অভিযোগ করছে। বরং মানুষের দুর্ভোগের বাস্তবতাকে তিনি স্বীকার করেছেন। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত।

তবে এখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও রয়েছে। ক্ষমা চাওয়ার পর কী হবে? কারণ জনগণ শুধু সহানুভূতির ভাষণ চায় না। তারা ঘরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ চায়, রান্নার জন্য গ্যাস চায় এবং শিল্পকারখানার জন্য নির্ভরযোগ্য জ্বালানি চায়। ফলে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রকৃত মূল্যায়ন হবে আগামী দিনগুলোতে সঙ্কট কতটা কমে আসে তার ওপর।

একথা সত্যি যে, বাংলাদেশের বর্তমান জ্বালানি সঙ্কট একদিনে তৈরি হয়নি। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, প্রাতিষ্ঠানিক অদক্ষতা, অনিয়ম, সিদ্ধান্ত গ্রহনে রাজনৈতিক প্রভাব এবং জ্বালানি খাতের কাঠামোগত নানা সমস্যা।

শেখ হাসিনার দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনামলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিপুল বিনিয়োগ হয়েছে ঠিকই, কিন্তু একই সঙ্গে এই খাত নিয়ে বিভিন্ন দুর্নীতি, একচেটিয়াকরণ, স্বজনপ্রীতি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগও উঠেছে। এসব সিদ্ধান্তের আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রভাব বর্তমান সরকারকে মোকাবিলা করতে হচ্ছে। অর্থাৎ বর্তমান সরকার যে সঙ্কটের পুরোপুরি দায়ী নয়, সেটি সত্য। নতুন সরকার একটি জটিল উত্তরাধিকার পেয়েছে।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আন্তর্জাতিক বাস্তবতা। বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও গ্যাসের মূল্য, সরবরাহব্যবস্থায় অস্থিরতা এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা জ্বালানি আমদানিনির্ভর বাংলাদেশের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে সংঘাতও আন্তর্জাতিক জ্বালানি ও সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। চাইলেই প্রধানমন্ত্রী এসব কারণ দেখিয়ে বলতে পারতেন, ‘এ সঙ্কট আমাদের তৈরি নয়।’ কিন্তু তিনি সেটিকে বক্তব্যের কেন্দ্রবিন্দু করেননি। এ কারণেই তার ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি আলাদা গুরুত্ব পাচ্ছে।

একজন প্রধানমন্ত্রী ক্ষমা চাইতেই পারেন। কিন্তু সেই ক্ষমা বা দুঃখ প্রকাশ যদি কার্যকর পদক্ষেপের সঙ্গে যুক্ত না হয়, তাহলে তা শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবেই থেকে যাবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কয়েক দিনের মধ্যে গ্যাস সঙ্কট অনেকটা কমে আসবে। এখন জনগণ স্বাভাবিকভাবেই সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দেখতে চাইবে। গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হলে তার বক্তব্যের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে। একইভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরলে মানুষ বুঝতে পারবে, ক্ষমা চাওয়ার সঙ্গে বাস্তব পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সঙ্কট অব্যাহত থাকলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠবে, সরকারের বক্তব্যের সঙ্গে কার্যক্রমের কতটা সামঞ্জস্য ছিল। এটাই গণতান্ত্রিক জবাবদিহির মূল বিষয়।

বর্তমান সঙ্কটকে শুধু সাময়িক সমস্যা হিসেবে দেখলে চলবে না। সরকারকে এখনই একটি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় জ্বালানি কৌশল নিয়েও কাজ করতে হবে। জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি আমদানির চুক্তি, ক্রয়প্রক্রিয়া এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যথাযথ নজরদারি প্রয়োজন। জাতীয় স্বার্থের বদলে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ যাতে প্রাধান্য না পায়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণব্যবস্থার আধুনিকায়ন, সিস্টেম লস কমানো এবং জ্বালানির অপচয় বন্ধ করার দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে জ্বালানির উৎস বহুমুখীকরণ প্রয়োজন। বাংলাদেশের বাস্তবতা বিবেচনায় নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর সুযোগও খুঁজে দেখতে হবে।

জ্বালানি সঙ্কটের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক প্রভাব পড়ছে শিল্পখাতে। একটি কারখানা যদি নিয়মিত গ্যাস বা বিদ্যুৎ না পায়, তাহলে শুধু ওই কারখানাই ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। উৎপাদন কমে যায়, রফতানি ব্যাহত হয়, কর্মসংস্থানের ওপর চাপ পড়ে, সরকারের রাজস্ব কমে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয়। অতএব নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ শুধু অবকাঠামোগত সুবিধার বিষয় নয়। এটি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার অন্যতম পূর্বশর্ত। সরকারের উচিত শিল্পখাতের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে সঙ্কটের অগ্রাধিকারভিত্তিক সমাধান করা।

সঙ্কটের সময়ে সরকারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হচ্ছে জনগণকে সঠিক তথ্য দেওয়া। কেন গ্যাস সঙ্কট হচ্ছে, কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, কতদিনের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হবে, কী ধরনের ঝুঁকি রয়েছে, এসব বিষয়ে সরকার নিয়মিত তথ্য দিলে মানুষ সাময়িক দুর্ভোগকে অনেক সহনশীলতার সঙ্গে নেয়। কিন্তু তথ্যের ঘাটতি, অস্পষ্টতা কিংবা পরস্পরবিরোধী বক্তব্য মানুষের মধ্যে হতাশা ও অবিশ্বাস তৈরি করে। এখানেও প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি ক্ষমা চাওয়ার রাজনৈতিক মূল্য রয়েছে। এটি জনগণের সঙ্গে একটি সরাসরি যোগাযোগের দরজা খুলে দিয়েছে। এখন সেই যোগাযোগ নিয়মিত ও স্বচ্ছ রাখতে হবে।

বাংলাদেশের রাজনীতির সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর একটি হলো- প্রায় প্রতিটি জাতীয় সঙ্কটই শেষ পর্যন্ত দলীয় রাজনৈতিক বিতর্কে পরিণত হয়। অবশ্যই সরকারের ভুলের সমালোচনা হবে। বিরোধী দলের কাজই হচ্ছে সরকারের ভুল তুলে ধরা। কিন্তু বিদ্যুৎ, গ্যাস, খাদ্যনিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা কিংবা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার মতো বিষয়গুলোকে কেবল রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে আক্রমণের অস্ত্র বানালে শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয় জনগণ।

যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক, এসব সমস্যা রাষ্ট্রের সমস্যা। বিএনপি বা অন্য কোনো রাজনৈতিক শক্তি ক্ষমতায় থাকলেও বিদ্যুৎ ও গ্যাসের প্রয়োজন মানুষের একই থাকবে। তাই জ্বালানি নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় নীতি প্রয়োজন।

এই জায়গাতেই প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শিষ্টাচার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি যদি কেবল একটি বক্তব্য না হয়ে একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা হয়, তাহলে এর প্রভাব অনেক দূর পর্যন্ত যেতে পারে। রাজনীতিতে দায়িত্ব নেওয়া মানে শুধু সাফল্যের কৃতিত্ব নেওয়া নয়। ব্যর্থতা বা সঙ্কটের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোও নেতৃত্বের অংশ।

কোনো সরকার পূর্ববর্তী সরকারের কাছ থেকে সমস্যা উত্তরাধিকারসূত্রে পেতেই পারে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর সেই সমস্যার সমাধানের দায়িত্ব আর অন্য কারও থাকে না। সেটি তখন বর্তমান সরকারের দায়িত্ব। এই দৃষ্টিকোণ থেকে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছে তা হলো- সমস্যা কে তৈরি করেছে, তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো- এখন কে তা সমাধান করবে। তবে ক্ষমাশীলতা বা নম্রতার সঙ্গে দক্ষতাও থাকতে হবে। শুধু ভালো কথা দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করা যায় না।

বাংলাদেশের মানুষ ক্ষমা মার্জনার পাশাপাশি ঘরে বিদ্যুৎ, রান্নাঘরে গ্যাস এবং কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি চায়। তারা চায় স্থিতিশীল পরিসেবা, কর্মসংস্থান এবং একটি সচল অর্থনীতি। শেষ পর্যন্ত একটি সরকারের সাফল্য পরিমাপ করা হবে তার বক্তব্যের আন্তরিকতা দিয়ে নয়, মানুষের জীবনে কতটা ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে, তা দিয়ে। তাই প্রধানমন্ত্রীর এই ক্ষমা চাওয়াকে সমাপ্তি নয়, সূচনা হিসেবে দেখা উচিত। দ্রুত পদক্ষেপ, জ্বালানি খাতে কাঠামোগত সংস্কার, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং নিয়মিত জনসম্পৃক্ততা বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে। তখন সরকারগুলো হয়তো উত্তরসূরিদের দায়ী করে যাওয়ার বদলে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সমস্যার কথা স্বীকার করেও সেগুলোর সমাধানে উদ্যমী হবে। দায় চাপানো থেকে দায়িত্বে, অস্বীকার থেকে স্বীকার এবং সঙ্ঘাত থেকে সমাধানের পথে যাত্রা শুরু করার সুযোগ এখন সরকারের সামনে।

‘আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি’-প্রধানমন্ত্রীর এই ক্ষমা চাওয়ার ঘটনা শুধু নিছক একটি সঙ্কটের জন্য দুঃখ প্রকাশ নয়, বরং এটির কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে সমাধান করলে তা বাংলাদেশের রাজনীতিতে দায় ও দায়িত্বের অনন্য সংস্কৃতির সূচনা হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর