রসালো ও সুস্বাদু ফল আনারস কেবল খেতেই দারুণ নয়, এর পুষ্টিগুণও অনন্য। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ফাইবার, পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়ামে ভরপুর এই ফলে চর্বি বা কোলেস্টেরল নেই বললেই চলে। তাই স্বাস্থ্য সচেতন ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগ্রহীদের ডায়েটে আনারস একটি আদর্শ খাবার।
সাধারণত আমরা শসা দিয়ে কেবল চিরাচরিত সালাদই তৈরি করি। তবে এবার সেই একঘেয়েমি কাটাতে শসার সতেজতার সাথে যোগ করতে পারেন আনারসের টক-মিষ্টি স্বাদ। দুপুর বা রাতের খাবারের সাথে কিংবা বিকেলের হালকা নাস্তায় এই সালাদ পরিবারের সবার মুখে রুচি ফিরিয়ে আনবে।
আসুন জেনে নেই, ভিন্ন স্বাদের এই সালাদের রেসিপি…
প্রয়োজনীয় উপকরণ
আনারস কিউব: ২ কাপ
শসা কিউব: ১ কাপ
চিনি: আধা কাপ (স্বাদ অনুযায়ী)
কাসুন্দি বা সরিষা বাটা: ১ চা চামচ
কাঁচা মরিচ কুচি: ১ চা চামচ
শুকনো মরিচ টালা গুঁড়ো (চিলি ফ্লেক্স): ১ টেবিল চামচ
বিট লবণ: ১ চা চামচ
ধনেপাতা কুচি: সামান্য
প্রস্তুত প্রণালি
১. প্রথমে আনারস ও শসা ভালোমতো ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। এরপর পানি ঝরিয়ে দুটিই ছোট ছোট চারকোনা (কিউব) আকারে কেটে একটি বড় পাত্রে রাখুন।
২. এবার অন্য একটি ছোট বাটিতে লেবুর রস, বিট লবণ, সামান্য চিনি, কাসুন্দি বা সরিষা বাটা, কাঁচামরিচ কুচি এবং শুকনো মরিচের গুঁড়ো একসাথে খুব ভালো করে মিশিয়ে একটি স্পাইসি ড্রেসিং বা সস তৈরি করুন।
৩. এই তৈরি করা মিশ্রণটি পাত্রে রাখা আনারস ও শসার ওপর ঢেলে দিন। চামচ দিয়ে আলতো হাতে উল্টেপাল্টে মিশিয়ে নিন, যেন সব উপকরণ ভালোভাবে গায়ে গায়ে লেগে যায়।
৪. সবশেষে ওপর থেকে ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে দিন। সালাদটি আরও সতেজ ও ক্রিস্পি করতে পরিবেশনের আগে ১৫-২০ মিনিট ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিন।
টিপস
সালাদটি পুরোপুরি হেলদি রাখতে চাইলে অতিরিক্ত চিনি না দিয়ে আনারসের নিজস্ব মিষ্টির ওপর ভরসা করতে পারেন।
ঝাল বেশি খেতে পছন্দ করলে চিলি ফ্লেক্সের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারেন।
শসা ও আনারসের মুচমুচে বা কচকচে ভাব ধরে রাখতে সালাদটি খাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে মাখানোই সবচেয়ে ভালো। আগে মাখিয়ে রাখলে পানি গলে সালাদের স্বাদ নষ্ট হতে পারে।