Thursday 09 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

৪ দিনে পাহাড়ধসে ৩০ জনের মৃত্যু: সংসদে ত্রাণমন্ত্রী

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
৯ জুলাই ২০২৬ ১৯:১৩

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

ঢাকা: দেশের বিভিন্ন স্থানে গত ৪ দিনে পাহাড়ধসে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ২২তম দিন ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে এ তথ্য জানান তিনি। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী জানান, মুষলধারে বৃষ্টি ও সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে বন্যা ও পাহাড়ধসে চট্টগ্রামে ৫ জন, কক্সবাজারে ১৯ জন, রাঙ্গামাটিতে একজন এবং বান্দরবানে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

তিনি জানান, দুর্গত এলাকায় এরইমধ্যে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। চট্টগ্রামে ৪১১টি, কক্সবাজারে ৬৪০টি, রাঙ্গামাটিতে ২১টি, খাগড়াছড়িতে ১৩৫টি এবং বান্দরবানে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু রয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে চট্টগ্রামে ৮ হাজার ৩৪০ জন, কক্সবাজারে ১২ হাজার ৬ জন, খাগড়াছড়িতে ১ হাজার ৭৫৫ জন এবং বান্দরবানে ২ হাজার ১৭৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী জানান, গত ৭ জুলাই দুর্গত এলাকার সহায়তায় প্রতিটি জেলায় ১০ লাখ টাকা করে নগদ অর্থ এবং ২০০ মেট্রিক টন করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নতুন করে আজ চট্টগ্রামের জন্য ২৫ লাখ টাকা, কক্সবাজারের জন্য ২০ লাখ টাকা এবং রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের জন্য ১০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, খাদ্য সহায়তা হিসেবে চট্টগ্রামের জন্য ৩০০ মেট্রিক টন, কক্সবাজারের জন্য ২৫০ মেট্রিক টন এবং খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের জন্য ২০০ মেট্রিক টন করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে দুর্গত প্রতিটি জেলার জন্য ২০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বলেও জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

মন্ত্রী বলেন, সংসদ অধিবেশন মুলতবি থাকার সুযোগে পাহাড়ি অঞ্চলের সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে ত্রাণ কার্যক্রম তদারকি এবং প্রয়োজনে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানান। পাহাড়ের নিচে বা ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে প্রতিবছর যে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে, তা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা প্রয়োজন। সরকারের হাতে অনেক পরিত্যক্ত খাস জমি এবং আবাসন মন্ত্রণালয়ের জমি রয়েছে। সংসদ সদস্যরা যদি স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা তৈরি করে ভূমিকা রাখেন, তবে ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দাদের সেসব নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে পুনর্বাসন ও বাড়ি বানিয়ে দিতে সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত। ভবিষ্যতে যাতে পাহাড় ধসে আর একটিও প্রাণহানি না ঘটে, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সারাবাংলা/একে/এসএস
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর