Thursday 01 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

জোবায়েদ হত্যা: বর্ষাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৫ জুলাই ২০২৬ ১৬:৪৬ | আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬ ১৯:৩৫

– কোলাজ সংগৃহীত ছবি

ঢাকা: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসাইন হত্যা মামলায় তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন- জোবায়েদের ছাত্রী বার্জিস শাবনাম বর্ষা (১৯), বর্ষার প্রেমিক মাহির রহমান (১৯) এবং মাহিরের বন্ধু ফারদীন আহম্মেদ আয়লান (২১)।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বংশাল থানার এসআই মো. আশরাফ হোসেন সম্প্রতি চার্জশিটটি ঢাকার আদালতের প্রসিকিউশন শাখায় জমা দেন।

তদন্তে পুলিশ উল্লেখ করেছে, মাহির ছিলেন হত্যার মূল হামলাকারী, বর্ষা পরিকল্পনাকারী এবং আয়লান সহযোগীর ভূমিকা পালন করেন।

বিজ্ঞাপন

চার্জশিটে ৫০ জন সাক্ষীর জবানবন্দি, সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ফোনের ফরেনসিক বিশ্লেষণ, ডিএনএ রিপোর্ট এবং অন্যান্য বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার তথ্য সংযুক্ত করা হয়েছে।

তদন্তে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার আরমানিটোলার নুরবক্স লেনের রৌশান ভিলা ভবনে ছাত্রী বর্ষাকে পড়াতে গিয়ে নিহত হন জোবায়েদ। সেদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভবনের নিচতলায় তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় ভবনের তিনতলার সিঁড়িতে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

ঘটনার পরদিন জোবায়েদের বড় ভাই এনায়েত হোসেন সৈকত বাদী হয়ে বংশাল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। প্রায় নয় মাস তদন্ত শেষে গত ৩০ জুন আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

চার্জশিটে বলা হয়েছে, হত্যাকাণ্ডটি আকস্মিক ছিল না; বরং প্রায় এক মাস ধরে পরিকল্পনা, নজরদারি, ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ এবং সুযোগের অপেক্ষার পর এটি বাস্তবায়ন করা হয়।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, তদন্তে বর্ষার সঙ্গে জোবায়েদ ও মাহির দুজনেরই প্রেমের সম্পর্কের তথ্য উঠে এসেছে। জোবায়েদের কাছে থাকা বর্ষার অন্তরঙ্গ ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকেই হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে তদন্তে দাবি করা হয়েছে।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশতিয়াক হোসেন জিপু জানান, চার্জশিটটি বর্তমানে প্রসিকিউশন বিভাগের জিআরও শাখায় রয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তা পর্যালোচনা শেষে আদালতে উপস্থাপন করবেন।

তিনি বলেন, চার্জশিটে মাহিরের সঙ্গে ডিএনএ রিপোর্টের মিল পাওয়া গেছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া তার জবানবন্দিও সংযুক্ত রয়েছে। তাঁর ভাষ্য, এসব প্রমাণের ভিত্তিতে মাহিরের দায় এড়ানোর সুযোগ নেই।

সারাবাংলা/টিএম/এসআর
বিজ্ঞাপন

রাজকীয় স্বাদের ছানার কোপ্তা কারি
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৫৪

আরো

সম্পর্কিত খবর