Sunday 19 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

‎ইসিতে বিএনপির বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা

‎সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
১৯ জুলাই ২০২৬ ১৫:৩১ | আপডেট: ১৯ জুলাই ২০২৬ ১৭:৫৩

ছবি: সংগৃহীত।

‎ঢাকা: ‎‎নির্বাচন কমিশনে (ইসি) নিজেদের বার্ষিক আয় ও ব্যয়ের আনুষ্ঠানিক হিসাব জমা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

‎রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের কাছে এই অডিট রিপোর্ট তুলে দেয় দলের একটি প্রতিনিধি দল।

‎জমা দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিএনপির মোট আয় হয়েছে ২২ কোটি ১৯ লাখ ৫৫ হাজার ১৮২ টাকা এবং বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ১৫ কোটি ২৬ লাখ ১০ হাজার ৮৫৭ টাকা। ফলে গত বছরে দলটির উদ্বৃত্ত আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৯৩ লাখ ৫৪ হাজার ৩২৫ টাকা। ২১ কোটি ১৩ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫ টাকার প্রারম্ভিক স্থিতি মিলিয়ে বর্তমানে ব্যাংকে গচ্ছিত রয়েছে ২৮ কোটি ৪ লাখ ৭১ হাজার ৬৮০ টাকা এবং হাতে নগদ রয়েছে ২ লাখ ৭৯ হাজার ৭০০ টাকা। সব মিলিয়ে দলটির তহবিলের বর্তমান পরিমাণ ২৮ কোটি ৭ লাখ ৩৬০ টাকা।

‎দলের এই আর্থিক হিসাবের উৎস ও খাত সম্পর্কে বিএনপির কোষাধ্যক্ষ এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, মূলত দলের সদস্যদের নিয়মিত চাঁদা, শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুদান এবং দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি থেকে এই আয় অর্জিত হয়েছে। অন্যদিকে সারা বছরের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন, দলের প্রয়োজনে গাড়ি কেনা, প্রচারপত্র ও পোস্টার প্রকাশনা, কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কার্যালয়গুলোর রক্ষণাবেক্ষণ খরচ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন এবং দুস্থ নেতা-কর্মীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পেছনে এই টাকা ব্যয় করা হয়েছে।

‎হিসাব জমা দেওয়ার পর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, যথাযথ সব প্রক্রিয়া অবলম্বন করেই এই হিসাব জমা দেওয়া হয়েছে, যা মূলত গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে জনগণের কাছে জবাবদিহিতার জায়গাটিকে পরিষ্কার ও সমুন্নত করে। দলীয় আয়-ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখাকে গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত রাজনৈতিক দলের পরিচালনা, আয়ের উৎস এবং ব্যয় সম্পর্কে জনগণকে জানানো উচিত।

‎উল্লেখ্য, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী দেশের প্রতিটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের জন্য প্রতি বছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পূর্ববর্তী পঞ্জিকা বছরের অডিট রিপোর্ট ইসিতে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। কোনো দল টানা তিন বছর এই হিসাব দিতে ব্যর্থ হলে নির্বাচন কমিশন তাদের নিবন্ধন বাতিল করার এখতিয়ার রাখে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জীবিকা ও বরকত বৃদ্ধির উপায়
১৯ জুলাই ২০২৬ ১৯:৫৮

আরো

সম্পর্কিত খবর