Saturday 29 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

গুম প্রতিরোধ দিবস: আগারগাঁওয়ে ভেন্যু পরিদর্শনে আযম খান ও ইশরাক

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৯ আগস্ট ২০২৬ ১৬:০৪
- ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা:  রোববার ‘আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে অনুষ্ঠেয় মহাসমাবেশের ভেন্যু পরিদর্শন করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আহমেদ আযম খান ও প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

‎শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এসে ভেন্যুটির সার্বিক প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন তারা।

‎পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হবে। সেই লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আগামীকাল সকাল ১০টায় চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এক বিশেষ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে গুমের শিকার ব্যক্তিদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হবে।”

‎তিনি আরও জানান, রোববারের এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

‎বিগত সরকারের সমালোচনা করে আহমেদ আযম খান বলেন, গত ১৮ বছর ধরে বিএনপি মানবাধিকারসম্মত ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে আন্দোলন চালিয়ে এসেছে। বর্তমান সরকার এমন এক সমাজ গঠন করতে চায় যেখানে গুম, নির্যাতন বা অত্যাচারের কোনো স্থান থাকবে না। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে এ জাতীয় দিবস পালন করতে দেওয়া না হলেও, বর্তমানে মুক্ত পরিবেশে সরকারি উদ্যোগে এটি সফলভাবে সম্পন্ন হবে।

‎তিনি বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার গুম, খুন বা নির্যাতনে বিশ্বাস করে না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাঁর ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকো শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনে প্রাণ হারিয়েছেন। দীর্ঘ নির্যাতনের শিকার হয়ে আমাদের অভিভাবক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াও মৃত্যুবরণ করেছেন। ফলে এই সরকার কখনোই মানবাধিকার লঙ্ঘন সহ্য করবে না।

‎প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণের পর আমরা প্রথমবার সরকারিভাবে দিবসটি পালন করছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিগত দেড় দশকের গুমের শিকার পরিবারগুলোকে এখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বাংলাদেশে গুমের সংস্কৃতি চিরতরে স্তব্ধ করে দিয়ে প্রতিটি ঘটনার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আমাদের সরকার শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর