Wednesday 01 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রস্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান পরীক্ষা স্থগিত


২৩ এপ্রিল ২০১৮ ১৮:১৪ | আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০১৮ ১৮:১৭
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

।। স্টাফ করেসপন্ডেন্ট ।।

ঢাকা: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০১৭ সালের ‘গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ডিপ্লোমা কোর্সের’ দ্বিতীয় সেমিস্টার পরীক্ষা এক মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। পরীক্ষার সময়সূচি অনুযায়ী ২৪ এপ্রিল মঙ্গলবার থেকে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল।

এক আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার (২৩ এপ্রিল) বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি ইকবাল কবিরের অবকাশকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এক মাসের জন্য পরীক্ষা কার্যক্রম স্থগিত করে এ আদেশ দেন।

বগুড়ার এসবি সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি কলেজের ২৫০ শিক্ষার্থীকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রেজিস্ট্রেশন (নিবন্ধন) ও প্রবেশপত্র না দেওয়ায় পরীক্ষা স্থগিত চেয়ে আবেদন করা হয়। আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলাম। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার শামীম আজিজ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুর্টি অ্যার্টনি জেনারেল নুসরাত জাহান।

বিজ্ঞাপন

পরীক্ষা স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিষয়টি সারাবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী শামীম আজিজ।

আবেদনে বলা হয়েছে, ২০০০ সালে বগুড়া এসবি সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি কলেজ যাত্রা শুরুর পর থেকে ১৫টি ব্যাচ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। কলেজ অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও ২০১৭ শিক্ষাবর্ষের হঠাৎ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অনলাইন কোড বন্ধ করে দেয়। এতে এই সেশনে ভর্তিকৃতদের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সেই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। ওই রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ২০১৭ সালের ১০ সেপ্টেম্বর রুলসহ একটি আদেশ দেন। যেই আদেশে এসব পরিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশ পত্র দিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেন। হাইকোর্টের সেই আবেদনের বিরুদ্ধে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আপিল করলেও তা খারিজ হয়ে যায়।

আদালতের এই নির্দেশের পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২৫০ শিক্ষার্থীকে পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার আশ্বাস দেয়। কিন্তু গত ২১ এপ্রিল শনিবার পর্যন্ত অন্যান্য কলেজকে রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্র সরবরাহ করা হলেও এ কলেজের ২৫০ শিক্ষার্থীকে কোনো কিছুই দেওয়া হয়নি। এ কারণে তারা আবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানান কলেজটির অধ্যক্ষ আল ফারাবি মো. নুরুল ইসলাম।

১৯৯৯ সালে এই কলেজটির যাত্রা শুরু হয়। তখন বিশিষ্ট পরমাণু ‍বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া কলেজটির উদ্বোধন করেছিলেন বলেও জানান এই অধ্যক্ষ।

সারাবাংলা/এজেডকে/এমআই