Friday 07 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

পদ্মা নদী থেকে ২ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
৪ অক্টোবর ২০২৪ ২১:৪৯ | আপডেট: ৫ অক্টোবর ২০২৪ ১৩:১৫

রাজশাহী: রাজশাহী সীমান্ত থেকে দুই বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। চারঘাট উপজেলার পদ্মা নদীর মধ্য জলসীমা থেকে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকাসহ তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ ঘটনাটি বুধবারের (২ অক্টোবর) হলেও এটা জানাজানি হয় শুক্রবার (৪ অক্টোবর)। পরে ওই দুই বাংলাদেশি জেলেকে ভারতীয় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে বিএসএফ।

এ ঘটনায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পক্ষ থেকে বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। তবে শুক্রবার রাত পর্যন্ত পতাকা বৈঠকের জন্য সাড়া পাওয়া যায়নি।

ধরে নিয়ে যাওয়া দুই বাংলাদেশি জেলে হলেন— চারঘাট উপজেলার চক মুক্তারপুর গ্রামের জেলে মানিক উদ্দিন শেখ (৩৫) ও মোফাজ্জল হোসেন শেখ (৪০)। তাদের দুজনকে রাজশাহীর চারঘাট সীমান্তের পদ্মার মধ্য জলসীমা থেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরপাড়া থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে বিএসএফ।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশের জলসীমা থেকে ধরা হলেও দুই জেলের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভারত সীমান্তে অনুপ্রবেশের অভিযোগ আনা হয়েছে। এরপর তাদেরকে মুর্শিদাবাদের লালবাগ কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

রাজশাহী বিজিবি-১ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মতিউল ইসলাম মণ্ডল জানান, ওই জেলেরা বুধবার পদ্মা নদীতে বাংলাদেশের জলসীমাতেই মাছ ধরছিলেন। তবে নদীর প্রবল স্রোতে জেলে নৌকাটি ভারতীয় জলসীমার কয়েক শ গজ ভেতরে ভেসে যায়। এ সময় বিএসএফ-৭৩ ব্যাটালিয়নের অধীন ভারতের কাকমারী সীমান্ত ফাঁড়ির একটি টহল দল তাদের আটক করে। পরে তাদের সেখানকার থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করে বিএসএফ।

খবর পেয়ে পতাকা বৈঠকের জন্য বিএসএফের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বিজিবির পক্ষ থেকে। তবে এখনো জবাব আসেনি। বিএসএফ সাড়া দিলে এ ব্যাপারে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

এর আগে গত বুধবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজশাহীর এই চারঘাটের সীমান্ত থেকেই দুই ভারতীয় নাগরিককে অবৈধ অনুপ্রবেশের কারণে আটক করে বিজিবি। আটক দুই ভারতীয় নাগরিককে চারঘাট থানায় হস্তান্তরের পর বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সারাবাংলা/টিআর