Wednesday 12 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ছাত্রলীগ কর্মীকে উপাচার্যের পিএস নিয়োগে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

বশেমুরবিপ্রবি করেসপন্ডেন্ট
১৬ নভেম্বর ২০২৪ ১২:১০

গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) সাধারণ শিক্ষারথীদের সংবাদ সম্মেলন

বশেমুরবিপ্রবি: নিয়মবহির্ভূতভাবে গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) হিসেবে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ছাত্রলীগ কর্মী আব্দুল্লাহ আল তোফায়েলকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ায় বিক্ষুব্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারন শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করেন শিক্ষার্থীরা। এসময় নিয়োগ বাতিল করা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী দেন তারা।

সোমবার (১৩ নভেম্বর) ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোরাদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে নিয়োগের বিষয়টি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

জানা গেছে, আব্দুল্লাহ আল তোফায়েল আল আহমদ নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বেরোবি শাখার রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। ছাত্রলীগের বিভিন্ন কর্মসূচী ও মিছিলে তাকে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতাদের সাথে বিভিন্ন মিটিংয়ের ছবিও রয়েছে।

এছাড়া তিনি আওয়ামী লীগের সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক এমপি মুজিবুর রহমান মানিকের ভাতিজা। যিনি গত ৮ অক্টোবর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর সশস্ত্র হামলার দায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন।

এসময় নিঘাত রৌদ্র বলেন, এমন একজনকে ভিসির পিএস হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে যে সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। যে আওয়ামী লীগকে রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট হিসাবে গণ্য করছি সেই সময়ে এই ধরনের বিতর্কিত ব্যক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এটাকে আমরা কোনভাবেই গ্রহনযোগ্য মনে করতে পারি না।

লিখিত বক্তব্যে মো. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্যাসিস্টের সহযোগী ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আব্দুল্লাহ আল তোফায়েল আল আহমদকে ভিসির পিএস হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়ম ও আইন ভঙ্গ করে রিজেন্ট বোর্ডের অনুমতি না নিয়েই এই নিয়োগ দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই নিয়োগ বাতিল করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। কিন্তু উল্টো ভিসি কোটায় নিয়োগ বাণিজ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

রবিবার (১৭ নভেম্বর)-এর মধ্যে এ নিয়োগ বাতিল না হলে কঠোর আন্দোনের ডাক দেয়া হবে বলে হুশিয়ারী দেয় শিক্ষার্থীরা।

সারাবাংলা/এনজে