Thursday 13 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

চুক্তি সই / সামরিক গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করবে যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিপাইন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৯ নভেম্বর ২০২৪ ১৭:৪১ | আপডেট: ১৯ নভেম্বর ২০২৪ ১৯:০৫

ফিলিপাইনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী গিলবার্তো টিওডোরোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন

সম্প্রতি ফিলিপাইন ও যুক্তরাষ্ট্র একটি সামরিক গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করার চুক্তি সই করেছে। নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি এই দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে আরও জোরদার করার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছে এই চুক্তি।

সোমবার (১৮ নভেম্বর) সফররত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন,ম্যানিলার সামরিক সদর দফতরে ফিলিপাইনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী গিলবার্তো টিওডোরোর সঙ্গে এ চুক্তিতে সই করেন।

‘জেনারেল সিকিউরিটি অফ মিলিটারি ইনফরমেশন এগ্রিমেন্ট বা জিসোমিয়া’ নামের এই চুক্তির মাধ্যমে উভয় দেশ নিরাপদে গোপনীয় সামরিক তথ্য শেয়ার করতে পারবে।

চুক্তিটি এই দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে একটি সমন্বয় কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবে বলে আশাবাদী তারা।

বিজ্ঞাপন

ফিলিপাইনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আর্সেনিও আন্দোলং বলেন, ‘এ চুক্তির ফলে ফিলিপাইন শুধু যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকেই উচ্চতর সক্ষমতা ও বড় ধরনের তথ্য পাওয়ার সুযোগ পাবে না এর পাশাপাশি সমমনা দেশগুলোর সঙ্গেও একই ধরনের চুক্তি করার সুযোগ উন্মুক্ত হবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের অধীনে যুক্তরাষ্ট্র এবং ফিলিপাইনের মধ্যে নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও জোরদার করেছে।

দেশ দুটির মধ্যে ১৯৫১ সাল থেকে একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে। যেকোনো পক্ষ দক্ষিণ চীন সাগরসহ কোন জায়গায় আক্রমণের শিকার হলে এই চুক্তি কার্যকর করা যেতে পারে।

অস্টিন চুক্তি সই করার অনুষ্ঠানে বলেন,’আমি ফিলিপাইনে আমাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতির ওপর জোর দিতে চাই। চুক্তিটি দুই দেশের রিয়েল-টাইম তথ্য ভাগ করে নেওয়া এবং আন্তঃক্রিয়াযোগ্যতা বাড়াবে।’

এদিকে,যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে এই জোট শক্তিশালী থাকবে বলে আস্থা প্রকাশ করেছে ফিলিপাইন।

উল্লেখ্য, ফিলিপাইন এবং যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের ক্রমবর্ধমান আগ্রাসী পদক্ষেপের মুখোমুখি হচ্ছে। তিন লাখ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের এই জাহাজবাহিত বাণিজ্যপথকে সম্পূর্ণভাবে নিজের বলে দাবি করে চীন।

সারাবাংলা/এসডব্লিউ