Thursday 13 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

সারের ভর্তুকি থেকে ৩০০০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের পরিকল্পনা

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
১৯ নভেম্বর ২০২৪ ১৮:৪৭ | আপডেট: ১৯ নভেম্বর ২০২৪ ১৯:৩৬

জমিতে সার দিচ্ছেন কৃষক। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান বলেছেন, সারে প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি দেওয়া হয়। এসব ভর্তুকি নিয়েও নানা প্রশ্ন রয়েছে। এজন্য সারে দেওয়া ভর্তুকি নিয়ে সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বর্তমানে কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে বছরে তিন হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় করা সম্ভব। পর্যায়ক্রমে আরও বেশি সাশ্রয় করা যাবে।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) কৃষি মন্ত্রণালয়ে সচিবের অফিস কক্ষে বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরামের (বিএজেএফ) কার্যনির্বাহী কমিটির সঙ্গে মত বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

মত বিনিময় সভায় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পিপিসি অনূবিভাগ) ড. মো. মাহমুদুর রহমান, বিএজেএফ সভাপতি ও প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি গোলাম ইফতেখার মাহমুদ, বিএজেএফ সাধারণ সম্পাদক ও কালের কণ্ঠের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক সাহানোয়ার সাইদ শাহীনসহ নির্বাহী কমিটির অনান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন
কৃষি সচিবের সঙ্গে বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরামের (বিএজেএফ) মতবিনিময়

কৃষি সচিবের সঙ্গে বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরামের (বিএজেএফ) মতবিনিময়

বৈঠকে কৃষি উপকরণ সরবরাহ, কৃষকের স্বার্থ সুরক্ষা ও কৃষি পণ্যের উৎপাদন বাড়ানো ও কৃষিতে টেকসই সমাধান নিয়ে আলোচনা হয়।

কৃষি সচিব বলেন, ‘এই মুহূর্তে দেশে সারের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। মজুদ দিয়ে আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত চালানো যাবে। এই সময়ে কোনো সংকট হবে না। পাপাইলাইনে থাকা পর্যাপ্ত সার আসতে শুরু করেছে। ফলে বোরো মৌসুমে দেশে সারের কোনো সংকট হবে না বলে আশা করছি। সারের মজুদ দিয়ে মার্চ-এপ্রিল পর্যন্ত চাহিদা মেটানো যাবে। সারে ভর্তুকি নিয়ে এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে অন্তবর্তী সরকার। এই ভর্তুকি থেকে অন্তত আড়াই থেকে তিন হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব।’

আগামী দুই বছরের মধ্যে সারের সংকট থাকবে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সার পরিবহণ ও মজুদের ব্যাপারে বড় একটা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী দুই বছর পর সার সংকট নামের কোনো জিনিস থাকবে না। সারের অপচয় শূন্যের কোটায় নিয়ে আসার চেষ্টা করব।’

আগামী সাত দিনের মধ্যে আলুর দাম কমে আসতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আলু মৌসুমে আলু রোপনে যে সারের প্রয়োজন তা নিয়ে কৃষকের চিন্তার কোনো কারণ নেই। একইসঙ্গে আলুর বীজের দাম ও সারের যোগান বিষয়ে আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি। জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে মিটিং করে করণীয় বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

বিএজেএফ সভাপতি গোলাম ইফতেখার মাহমুদ সম্প্রতি প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মনোনীত হওয়ায় অভিনন্দন জানান কৃষি সচিব।

সারাবাংলা/ইএইচটি/পিটিএম