Tuesday 18 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

সন্দেহের বশে স্ত্রীকে খুন, স্বামী গ্রেফতার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৯ ডিসেম্বর ২০২৪ ০৮:৫৬ | আপডেট: ৯ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৫:২৩

গ্রেফতার মো. নাছির

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম নগরীতে স্ত্রীকে খুনের মামলায় স্বামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, পরকীয়া সন্দেহের জেরে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) রাতে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার মো. নাছির (৪৮) একই উপজেলার বারশত ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তোতার পাড়া এলাকার বাসিন্দা।

এর আগে রোববার (৭ ডিসেম্বর) গভীর রাতে নগরীর পতেঙ্গার বিজয়নগর এলাকার একটি বাসা থেকে নাছিমা আক্তার (৪৫) নামে এক নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার নাছির ওই নারীর স্বামী। নাছিমা তার দ্বিতীয় স্ত্রী। আগের স্ত্রীর ঘরে তার তিনটি সন্তান আছে। বছর দুয়েক আগে তিনি নাছিমাকে বিয়ে করেন। নাছিমার অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক আছে বলে তিনি সন্দেহ করতেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হত। এছাড়া নাছিরের বিরুদ্ধে নগরীর বন্দর থানায় ডাকাতি ও আনোয়ারা থানায় মাদক মামলা আছে। নাছিমা থেকে তিনি প্রায়ই মাদক কেনার জন্য টাকা নিতেন।

বিজ্ঞাপন

গত ২ ডিসেম্বর রাতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়ার একপর্যায়ে নাছির তার স্ত্রী নাছিমার মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। ঘটনাস্থলেই নাছিমার মৃত্যু হয়। এরপর তিনি ঘরে তালা মেরে পালিয়ে যান। পাঁচদিন পর রোববার (৮ ডিসেম্বর) নাছিমার অর্ধগলিত লাশ পুলিশ উদ্ধার করে।

পতেঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহফুজুর রহমান সারাবাংলাকে বলেন, ‘নাছিমাকে খুন করে নাছির মশারির ভেতরেই তার লাশ শোয়া অবস্থায় রেখে পালিয়ে যান। পাঁচদিন পর ওই বাসা থেকে দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে আমরা গিয়ে নাছিমার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করি।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাদের বাসাটি ছিল খুব নির্জন এলাকায়। ওখানে মানুষের যাতায়াত কম। তাই কেউ বুঝতে পারেনি। আমাদেরও সেখানে যেতে বেগ পোহাতে হয়েছে। লাশ উদ্ধারের পর আমরা তার স্বামীকে খুঁজছিলাম। পরে গোপন সূত্রের ভিত্তিতে নাছিরকে তার বাড়ি আনোয়ারা থেকে গ্রেফতার করি।’

‘নাছির আমাদের খুনের কথা স্বীকার করেছে। পরকীয়া সন্দেহের জেরেই সে তার স্ত্রীকে খুন করেছে। আগামীকাল (৯ ডিসেম্বর) সকালে তাকে আদালতে নিয়ে যাওয়া হবে।’

সারাবাংলা/আইসি/এনজে