Sunday 23 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ট্রান্সজেন্ডারদের সামরিক বাহিনী থেকে নিষিদ্ধ করলেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৮ জানুয়ারি ২০২৫ ১৩:৪৪ | আপডেট: ২৮ জানুয়ারি ২০২৫ ১৫:৪৭

মার্কিন সামরিক বাহিনী সংস্কারে চারটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

মার্কিন সামরিক সংস্কারে চারটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) আদেশগুলোতে সই করেছেন।

নির্বাহী আদেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ট্রান্সজেন্ডার সদস্যদের সামরিক বাহিনীতে নিষিদ্ধ করা, সামরিক বাহিনীর বৈচিত্র্য, সমতা এবং অন্তর্ভুক্তি (ডিইআই) কর্মসূচি বাতিল করা এবং কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন না নেওয়ার কারণে বরখাস্ত হওয়া সদস্যদের পুনর্বহাল।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এ এ তথ্য প্রচারিত হয়েছে। ট্রাম্প জানান, তিনি ফ্লোরিডা থেকে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে অবস্থানকালে এসব আদেশে স্বাক্ষর করেন।

ট্রাম্প ২০১৭ সালে তার প্রথম মেয়াদে সামরিক কার্যক্রম থেকে ট্রান্সজেন্ডার সদস্যদের নিষিদ্ধ করেছিলেন। তবে, ২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেন। এবার ট্রাম্প আরও কঠোর নীতিমালা গ্রহণ করেছেন।

বিজ্ঞাপন

নতুন আদেশ অনুযায়ী, মানসিক ও শারীরিক প্রস্তুতির ঘাটতি এবং ট্রান্সজেন্ডার সদস্যদের চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তার কারণে তারা সামরিক দায়িত্ব পালনে অযোগ্য বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

২০১৮ সালে একটি প্রতিবেদনে দেখা যায়, প্রায় ১৪ হাজার ট্রান্সজেন্ডার সদস্য মার্কিন সামরিক বাহিনীতে ছিলেন। তবে নতুন নিষেধাজ্ঞায় কোনো ব্যতিক্রম থাকবে কি না, তা এখনও পরিষ্কার নয়।

শনিবার (২৫ জানুয়ারি) নতুন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ শপথ গ্রহণের পর ট্রাম্প এই সিদ্ধান্ত নেন। হেগসেথ বলেন, সামরিক বাহিনীতে সংস্কৃতি পরিবর্তনের লক্ষ্যে ডিইআই প্রথা বাতিল এবং ওয়োক সদস্যদের সরানোর পরিকল্পনা তার প্রথম লক্ষ্য।

অন্যদিকে একটি পৃথক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ডিইআই সম্পর্কিত সব বৈষম্যমূলক নীতি বাতিল এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ছুটিতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তৃতীয় আদেশে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন না নেওয়ার কারণে বরখাস্ত হওয়া সদস্যদের পূর্বের পদে পুনর্বহাল এবং তাদের আর্থিক সুবিধা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চতুর্থ আদেশে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘আইরন ডোম’ নামে একটি উন্নত মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ার প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এটি ব্যালিস্টিক, হাইপারসনিক এবং অন্যান্য উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি মোকাবিলায় কাজে আসবে। এই প্রকল্পের খরচ ও সময়সীমা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

সারাবাংলা/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো