Tuesday 25 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ভালোবাসা দিবস / বৈষম্যবিরোধী প্রেম যাত্রা, রাবিতে প্রেমবঞ্চিত সংঘের বিক্ষোভ সমাবেশ

রাবি করেসপন্ডেন্ট
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৮:৪৮

ভালোবাসা দিবসে রাবিতে প্রেমবঞ্চিত সংঘের বিক্ষোভ সমাবেশ। ছবি: সারাবাংলা।

রাবি: বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে প্রেমের দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বিক্ষোভ মিছিল করেছে একদল তরুণ-তরুণী। শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) প্রেমবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা ‘কেউ পাবে— কেউ পাবে না, তা হবে না— তা হবে না’; ‘প্রেমের নামে প্রহসন বন্ধ কর’; ‘তুমি কে আমি কে, বঞ্চিত বঞ্চিত’; ‘যোগ্য মানুষ হারালে, কাঁদতে হবে আড়ালে’- ইত্যাদি স্লোগানে ক্যাম্পাস মাতিয়ে তোলেন।

সমাবেশে বাংলাদেশ প্রেম বঞ্চিত সংঘের বাংলার সকল বঞ্চিতদের হৃৎপিণ্ড ও রাবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনের সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, প্রেম বলতে আমরা শুধু প্রেমিক প্রেমিকার প্রেম বুঝি না, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বন্ধু-বান্ধব, সিনিয়র-জুনিয়র সবার মধ্যে প্রেম হয়। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি এই প্রেমে একটা শ্রেণি বঞ্চিত হচ্ছে। শিক্ষকের ভালোবাসা থেকে কম মেধাবীরা বঞ্চিত হচ্ছে, বন্ধুদের ভালোবাসা থেকে কম টাকাওয়ালা বন্ধুটা বঞ্চিত হচ্ছে। এ প্রেম সংঘ যেখানে বৈষম্য দেখবে সেখানেই কথা বলবে।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ প্রেম বঞ্চিত সংঘ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি শাহ পরান বলেন, আমাদের সমাজব্যবস্থা আমাদের ভেতরের ভালোবাসাকে এমনভাবে সংকুচিত করেছে যে আমরা প্রকাশ করতে পারছি না। সমাজব্যবস্থা আমাদেরকে শেখায় একটা ছেলে এবং একটা মেয়ের মধ্যে প্রেম যার কোনো সংজ্ঞা থাকবে না। আমরা প্রেমের বিরুদ্ধে না, আমরা প্রেমের পক্ষে। কিন্তু আমরা চাই এই প্রেমটা সুষ্ঠুভাবে বণ্টিত হোক।

দুষ্টু পুরুষ শনাক্তকরণ বিষয়ক সম্পাদক সারথি অনি বলেন, প্রেম মানেই বিরহ যন্ত্রণা, পুরুষ মানেই প্রবঞ্চনা। যার কারণে আমার কাজ হচ্ছে ক্যাম্পাসে দুষ্টু পুরুষের সনাক্ত করা। এবং সেই সঙ্গে আমার সিনিয়র-জুনিয়রদের দুষ্টু পুরুষদের চক্র থেকে রক্ষা করা। এছাড়া বাংলাদেশের আইনে সেই দুষ্টু পুরুষদের শাস্তি নিশ্চিত করা।

সমাবেশে শেষে রক্তদান কর্মসূচি, বৃক্ষ রোপন, গণসই ও খাবার বিতরণ করা হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

সারাবাংলা/এসআর