Tuesday 25 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

রাজশাহীতে নারীর অগ্নিদগ্ধ মরদেহ উদ্ধার

ডিস্ট্রিক্ট করেসপনডেন্ট
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৪:১৭ | আপডেট: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৬:১৬

রাজশাহীতে ভাড়া বাড়ির ঘরের মধ্যে থেকে এক নারীর অগ্নিদগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়

রাজশাহী: রাজশাহী মহানগরীর ভাড়া বাড়ির ঘরের মধ্যে থেকে এক নারীর অগ্নিদগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘরের মেঝেতে হেলেনা আক্তার (৩৫) নামের ওই নারীর মরদেহ পড়ে ছিল।

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে। ওই নারী চন্দ্রিমা থানার ভদ্রা রেললাইনের পাশের বস্তির এক কক্ষের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

তার স্বামীর নাম আলমগীর হোসেন ওরফে রয়েল। তাকে দ্বিতীয় বিয়ে করেছিলেন হেলেনা। এই বিয়ের পর থেকেই পরিবারের সঙ্গে চলাফেরা ছিল না তার। আলমগীরকে খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ।

নিহত নারীর মা ও ভাই পুলিশের কাছে দাবি করেছেন, শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় হেলেনাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারেনি।

বিজ্ঞাপন

চন্দ্রিমা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মতিয়ার রহমান বলেন, সকাল ৯টার দিকে বস্তির এক লোক থানায় ফোন করে ঘরে আগুনে পোড়া মরদেহ পড়ে থাকার কথা জানান। এরপর পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

ওসি জানান, ঘরে তেমন আসবাবপত্র নেই। মেঝেতেই ঘুমাতেন ওই নারী। আগুনে পুরো শরীর ঝলসে গেছে তার। পাশে শুধু একটা মশারিতে পোড়া চিহ্ন দেখা গেছে। আর কিছু পোড়েনি।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) সাবিনা ইয়াসমিন জানান, হেলেনার আগের স্বামীর একজন ছেলে আছে। সে মাদরাসায় আবাসিক থাকে। দ্বিতীয় স্বামীকে নিয়ে হেলেনা একটি ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতেন। যে ঘরে তারা থাকতেন তার পাশের ঘরে আরেক প্রতিবন্ধী নারী থাকেন। তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন, আগুন লাগলে হেলেনার চিৎকার করার কথা। এ রকম কোনো চিৎকার তিনি শোনেননি। হেলেনার মা ও ভাইয়ের সঙ্গে পুলিশের কথা হয়েছে। তারা দাবি করছেন যে হেলেনাকে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেলেনার স্বামীকে খুঁজছি। কিন্তু তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। তাই মনে করা হচ্ছে তিনি পালিয়েছেন। তাকে খোঁজা হচ্ছে। এ ব্যাপারে নিহত হেলেনার স্বজনেরা যদি হত্যা মামলা করতে চান, তাহলে মামলা নেওয়া হবে। তবে মৃত্যু কীভাবে হয়েছে তা পুলিশি তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার বলা যাবে।’

সারাবাংলা/এসডব্লিউ