Wednesday 26 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

‘গৃহভিত্তিক নারী শ্রমিকদের সঠিক মূল্যায়ন দিতে হবে’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ২৩:৫২ | আপডেট: ১ মার্চ ২০২৫ ১১:১৬

ঢাকা: অক্সফাম ইন বাংলাদেশের সহায়তায় পোশাক শিল্পের ভ্যালু চেইনের সঙ্গে যুক্ত গৃহভিত্তিক নারী শ্রমিকদের শোভন কাজের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংগঠন ও নেতৃত্ব জোরদারকরণ প্রকল্পের আওতায় সমাবেশ করেছে কর্মজীবী নারী সংগঠন।

শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মিরপুর-১৩ তে অবস্থিত কর্মজীবী নারীর প্রকল্প অফিসের সামনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৫ উপলক্ষে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। “সকলক্ষেত্রে নারী ও কন্যার প্রতি বৈষম্য দূর করে অধিকার, মর্যাদা ও সমতার বাংলাদেশ গড়ে তুলি” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে সমাবেশ করেছে নারী সংগঠনটি।

এ সমাবেশে অংশ নেন করেন মিরপুর-১৩, ১৪, ১, ১১, দামালকোট, রূপনগর, বাউনিয়াবাদ এবং ভাসানটেক এলাকার ২৫০ জন নারী ও পুরুষ শ্রমিক।

বিজ্ঞাপন

জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক জোটের পক্ষ থেকে শ্রমিক নেত্রী শেখ শাহনাজ বলেন, ‘গৃহভিত্তিক নারী শ্রমিকদের সঠিক কর্মঘণ্টা, ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্ম পরিবেশও একজন নারীর অধিকার অর্জনের লক্ষ্যে আমাদের সংগঠিত হতে হবে।’

নারী বিষয়ক সভাপতি সানজিদা আক্তার অন্তরা বলেন, ‘আজকে এই নারী দিবস পালনের মাধ্যমে আমরা গৃহভিত্তিক নারী শ্রমিকদের বা হোম- বেজড গার্মেন্টস শ্রমিক, গার্মেন্টস শ্রমিক, গৃহশ্রমিকসহ সকল অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত নারীশ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, ছুটি, মাতৃত্বকালীন সুবিধা, শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং সকল সামাজিক সুবিধা প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে সকলে এগিয়ে আসার অঙ্গীকার করি।’

জাতীয় শ্রমিক জোট বাংলাদেশের দফতর সম্পাদক রাবেয়া আক্তার বলেন, তৈরি পোশাক ও শিল্প কারখানার কর্মরত হোম-বেজড শ্রমিকদের শ্রমিক হিসাবে স্বীকৃতি দিতে হবে। বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এ তাদের অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে হোম-বেজড শ্রমিকদের মজুরি নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে গৃহভিত্তিক নারী শ্রমিক পলি আক্তার তার নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বলেন, আমরা হোম-বেজড নারী শ্রমিক তাই আমাদের মজুরি কম দেওয়া হয় এবং কোনো কর্মঘণ্টা নেই। অনেকেই আমাদের কাজকে সঠিক মূল্যায়ন করে না। আজকের এই নারী দিবসে আমার দাবি আমাদের শ্রমিক হিসাবে স্বীকৃতি প্রদানের মাধ্যমে আমাদের কাজকে সম্মান দেওয়া হোক।

অনুষ্ঠানে প্রকল্প অফিসার সাদিয়া আফরিন কণা ধারণাপত্র পাঠ করেন।

সমাবেশ শেষে একটি বিশাল মিছিল বের করা হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা স্লোগানে মুখরিত হয়ে তাদের দাবি তুলে ধরেন। মিছিলটি মিরপুর-১৩ থেকে শুরু হয়ে প্রধান সড়ক ধরে চলে এবং শেষে মিরপুর-১৩ প্রকল্প অফিসে এসে শেষ হয়।

সারাবাংলা/এফএন/ইআ