ঢাকা: দেশের ইবতেদায়ি মাদরাসাগুলো এমপিওভুক্ত ও জাতীয়করণের বিষয়ে উপদেষ্টা পর্যায়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছেন সদ্য বিদায় নেওয়া শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। এখন সেই ফাইল অনুমোদনের জন্য প্রধান উপদেষ্টার কাছে পাঠানো হবে।
মঙ্গলবার (৫ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের যুগ্ম সচিব এস এম মাসুদুল হক এ তথ্য জানান। তার তথ্যমতে, প্রথম পর্যায়ে সরকারি অনুদান পাওয়া ১ হাজার ৫১৯ ইবতেদায়ি মাদরাসাকে চলতি অর্থবছরেই এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। তারপর পর্যায়ক্রমে অন্য মাদরাসাগুলোতে এই সুবিধা দেওয়া হবে।
মাসুদুল হক বলেন, ‘ইবতেদায়ি মাদরসাসা এমপিওভুক্ত ও জাতীয়করণের বিষয় ছাড়াও মাদরাসার ছাত্রদের উপবৃত্তির আওতায় আনাসহ মাদরাসার উন্নয়নে আরও বেশকিছু বিষয়ে উপদেষ্টা পর্যায়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন ফাইল অনুমোদনের জন্য প্রধান উপদেষ্টার কাছে যাবে।’
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসাগুলো জাতীয়করণের ঘোষণাসহ ছয় দফা দাবিতে কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষক ঐক্যজোট। গত জানুয়ারি শাহবাগ এলাকায় ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষকদের সঙ্গে পুলিশের পালটাপালটি ধাওয়ার এক পর্যায়ে সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান নিক্ষেপ করে পুলিশ। এ সময় লাঠিপেটাও করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এতে এক নারীসহ ছয় জন আহত হন। তখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে যুগ্ম সচিব এস এম মাসুদুল হক শাহবাগ এলাকায় আন্দোলনরত শিক্ষকদের কাছে গিয়ে সরকারের আশ্বাসের কথা জানিয়েছিলেন। তার আগে মন্ত্রণালয়ে শিক্ষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরকারের বৈঠক হয়।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের হিসাবে বর্তমানে কয়েক হাজার (কোডভুক্ত) স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা আছে। এ ছাড়াও, মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতরের হিসাবে আরও কয়েক কয়েক হাজারের মতো মাদরাসা রয়েছে।