বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের আগে বড় ধাক্কা খেল ইংল্যান্ড। ডিফেন্ডার জ্যারেল কোয়ানসাকে দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। ফলে শনিবার নরওয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনাল এবং ইংল্যান্ড সেমিফাইনালে উঠলে সেই ম্যাচেও খেলতে পারবেন না তিনি।
শেষ ষোলোতে মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচে ভিএআরের পর সরাসরি লাল কার্ড দেখেছিলেন কোয়ানসা। সেই অপরাধের শাস্তি হিসেবেই তাকে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
কোয়ানসার নিষেধাজ্ঞা ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগে নতুন সংকট তৈরি করেছে। দলের নিয়মিত রাইট-ব্যাক রিস জেমস হ্যামস্ট্রিং চোটে টানা তিন ম্যাচের বাইরে। বুধবারও অনুশীলনে অংশ নিতে পারেননি। ফলে নরওয়ের বিপক্ষে তার খেলার সম্ভাবনা এখনও অনিশ্চিত।
জেমসের অনুপস্থিতিতে রাইট-ব্যাকে ডিজেড স্পেন্স ও কোয়ানসাকে খেলানো হলেও কেউই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। মেক্সিকোর বিপক্ষে কোয়ানসা লাল কার্ড দেখার পর শেষ আধাঘণ্টা এজরি কনসাকে ওই পজিশনে খেলাতে হয়েছিল। কোয়ার্টার ফাইনালেও একই পরিকল্পনা দেখা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে সেন্টার-ব্যাকে ফিরতে পারেন জন স্টোনস।
এদিকে কোয়ানসার নিষেধাজ্ঞা কমানোর চেষ্টা করছে ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ)। এ বিষয়ে ফিফার কাছে আপিল করার প্রস্তুতি চলছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুনের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত হওয়ার নজিরকে সামনে রেখেই আশাবাদী ইংল্যান্ড।
ফিফার সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেল। তার মতে, কোন পরিস্থিতিতে শাস্তি বহাল থাকবে আর কখন তা পরিবর্তন করা হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা থাকা প্রয়োজন।