Friday 21 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

হৃদয়ের ঝলকে চিটাগংকে উড়িয়ে ফাইনালে বরিশাল

স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট
৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ২২:০৬

দারুণ ইনিংসে ম্যাচ সেরা তাওহিদ হৃদয়

শামীম হোসেন পাটোয়ারির শর্ট লেংথের বলটা জায়গা বানিয়ে পুল করলেন তাওহিদ হৃদয়। বল গড়িয়ে মিড উইকেট বাউন্ডারি পার হতেই মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে শোনা গেল ধীর লয়ের ‘বরিশাল! বরিশাল!’ স্লোগান। কারণ এই চারেই প্রথম কোয়ালিফায়ারে চিটাগং কিংসকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ফরচুন বরিশাল। ১৫০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১৭.২ ওভারেই সেটা টপকে গেছেন তামিম ইকবাল-তাওহিদ হৃদয়রা।

আগামী ০৫ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে চিটাগং খেলবে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে। আসন্ন এই ম্যাচে জয়ী দল ফাইনালে সঙ্গী হবে ফরচুন বরিশালের। সেই ম্যাচে চিটাগং জিতলে আসরে চতুর্থবারের মতো তাদের সাথে দেখা হবে বরিশালের।

বিজ্ঞাপন

এর আগে ব্যাট করতে নেমে বিপিএলে অভিষিক্ত মোহাম্মদ আলীর বোলিং তোপে মাত্র ১৪৯ রানের গুটিয়ে যায় চিটাগং। যদিও দলের বেশিরভাগ রানই এসেছে শামীম পাটোয়ারীর ব্যাট থেকে। অবশ্য পারভেজ ইমন ছাড়া বাকিরা ব্যর্থ হওয়াতে খুব বড় সংগ্রহ পায়নি চিটাগং। একাই পাঁচ উইকেট নেন মোহাম্মদ আলী।

বিপিএলে নিজের সেরাটা যেন আজকের জন্যই জমিয়ে রেখেছিলেন তাওহিদ হৃদয়। রান তাড়ায় নেমে উইকেটে ছিলেন ইনিংসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত। উইনিং শটটাও এসেছেন তার ব্যাট থেকে। আসরে নিজের প্রথম ফিফটিকে টেনে নিয়ে গেলেন ৮২*তে। ৫৬ বলের ঝকঝকে এই ইনিংসটা হৃদয় সাজিয়েছেন ৯ চার ও ২ ছক্কায়।

ইনিংস ওপেন করতে নেমে তামিম ইকবালের সাথে গড়েন ৫২ বলে ৫৫ রানের জুটি। অবশ্য এই জুটি ভাঙে খালেদের বলে পুল করতে গিয়ে স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়ে তামিম ফেরায়। কিন্তু তামিম আউট হলেও ছন্দপতন হয়নি বরিশালের। তিনে নামা ডাভিড মালান এসে শুরু করেন পাল্টা আক্রমণ। হৃদয়ের সাথে মিলে গড়েন ৫২ বলে ৯৫* রানের জুটি। যেখানে দাপট দেখিয়েছেন হৃদয়, সাপোর্টিং রোলে ছিলেন মালান। ম্যাচ জেতানো এই জুটির পথেই আসরে নিজের প্রথম ফিফটি ছুঁয়েছেন হৃদয়।

এই ম্যাচে প্রথমে ব্যাটিং করা চিটাগংয়ের ব্যাটিংয়ের হাইলাইটস হয়ে রইল শামীমের ৭৯ রানের ইনিংস। ৪৭ বলে নয় চার ও চারটি ছক্কায় সাজানো এই ইনিংস থেমেছে শেষদিকে মোহাম্মদ আলীর বলে রিভার্স স্কুপ করতে গিয়ে। শামীম ছাড়া কেবল দুই অংকে যেতে পেরেছেন ওপেনার পারভেজ ইমন। ৩৬ বলে ৩৬ রান করেচ রিশাদের হাতে ফিরতি ক্যাচ দেন ছন্দে থাকা এই বাঁহাতি ব্যাটার।

অবশ্য আলো কেড়েছেন বরিশালের পেসার মোহাম্মদ আলী। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেট নেন এই পাকিস্তানি পেসার। এর মধ্যে চারটিই নিয়েছেন নিজের করা শেষ ওভারে। মোহাম্মদের ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ের দিনে চিটাগংয়ের ব্যাটিং অর্ডারে চিড় ধরান কাইল মায়ার্স। নতুন বলের সুইং-মুভমেন্ট কাজে লাগিয়ে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই উইকেট উপড়ে দেন খাওয়াজা নাফের। গ্রাহাম ক্লার্কও ক্যাচ দেন তার বলেই মালানের হাতে।

সারাবাংলা/জেটি