Monday 07 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

খালাস পেলেন জামায়াত নেতা এটিএম আজহার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৭ মে ২০২৫ ১০:০০ | আপডেট: ২৭ মে ২০২৫ ১১:০৬

জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম।

ঢাকা: মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছেন জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২৭ মে) সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

এদিন সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে এজলাসে ওঠেন সাত বিচরপতি। এরপর আইনি বিষয় তুলে ধরেন রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।

আদালতে উপস্থিত রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আবদুল হালিম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেন, ফখরুদ্দিন মানিকসহ শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা।

বিজ্ঞাপন

এর আগে, ৮ মে শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ। ওই দিন আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিশির মনির। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন ও অ্যাডভোকেট রায়হান উদ্দিন।

গত ৬ মে সকাল ১০টায় এটিএম আজহারের আপিল শুনানি শুরু হয়। ওই দিন আধাঘণ্টা বিরতি দিয়ে সোয়া ১টা পর্যন্ত শুনানি চলে।

চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে এটিএম আজহারকে আপিলের অনুমতি দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ। মানবতাবিরোধী অপরাধের এটিই প্রথম কোনো মামলা, যে মামলায় রিভিউ থেকে মূল আপিল শুনানির অনুমতি দিলেন সর্বোচ্চ আদালত।

২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায়ে ২, ৩ ও ৪ নম্বর অভিযোগে ফাঁসির দণ্ডাদেশ পান এটিএম আজহার। এছাড়া ৫ নম্বর অভিযোগে অপহরণ, নির্যাতন, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অমানবিক অপরাধের দায়ে ২৫ বছর ও ৬ নম্বর অভিযোগে নির্যাতনের দায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিলে শুনানির পর ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে রায় ঘোষণা করেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ। আপিল বিভাগের রায়ে ২, ৩, ৪ ও ৬ নম্বর অভিযোগের দণ্ড বহাল রাখা হয়। আর ৫ নম্বর অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়।

২০২০ সালের ১৫ মার্চ আপিল বিভাগের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। ওই রায়ের রিভিউ চেয়ে একই বছরের ১৯ জুলাই আপিল বিভাগে সংশ্লিষ্ট আবেদন করেছিলেন এই জামায়াত নেতা। ২৩ পৃষ্ঠার পুনর্বিবেচনার ওই আবেদনে মোট ১৪টি যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।

সারাবাংলা/আরএম/এসডব্লিউ
বিজ্ঞাপন

রাজকীয় স্বাদের ছানার কোপ্তা কারি
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৫৪

আরো