Sunday 20 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

পতাকা হাতে ছোট ছোট মিছিলে পরিপূর্ণ জামায়াতের সমাবেশস্থল

ঢাবি করেসপন্ডেন্ট
১৯ জুলাই ২০২৫ ১১:৪৫ | আপডেট: ১৯ জুলাই ২০২৫ ১২:৫১

দলীয় পতাকা হাতে সমাবেশে যোগ দেওয়া জামায়াতের নেতা-কর্মীরা।

ঢাবি: প্রথমবারের মতো এককভাবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশ করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আজ দুপুর ২টা থেকে সমাবেশের মূল পর্ব শুরু হওয়ার কথা থাকলেও দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ করছেন দলটির নেতা-কর্মীরা। এতে সকাল ১১টার দিকেই দেখা যায় পরিপূর্ণ হয়েছে জামাতের সমাবেশস্থল।

শনিবার (১৯ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সরেজমিনে গিয়ে এ দৃশ্য দেখা যায়। দলটির নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে প্রায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে গেছে সমাবেশস্থল। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাস, ট্রেন ও লঞ্চে করে আসা নেতাকর্মীরা রাজধানীতে এসে মিছিল সহকারে সমাবেশস্থলে প্রবেশ করছেন।

বিজ্ঞাপন

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সাত দফা দাবি আদায়ের এদিন লক্ষ্যে দুপুর ২টা থেকে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামীর এই জাতীয় সমাবেশ। এ সমাবেশের সভাপতিত্ব করবেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।

এর আগে, এ সমাবেশকে কেন্দ্র করে শুক্রবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যা থেকেই নেতাকর্মীরা সমাবেশ স্থলে সমবেত হতে শুরু করেন।

সমাবেশ স্থলে নেতাকর্মীদের অনেকের হাতেই দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ দেখা যাচ্ছে। অনেকে আবার দাঁড়িপাল্লা ও দলীয় মনোগ্রাম সম্বলিত টি-শার্ট, পাঞ্জাবি পরে এসেছেন।

এর আগে, সকাল সাড়ে ৯টায় সমাবেশ স্থলে দেখা গেছে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরোয়ারকে। তিনি জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের পক্ষ থেকে উপস্থিত নেতাকর্মীদের সালাম ও শুভেচ্ছা জানান এবং সমাবেশের শান্তিপূর্ণ সমাপ্তির জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

সকাল ১০টা থেকে সাংস্কৃতিক পর্ব শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, তা নির্ধারিত সময়ের ২০ মিনিট আগেই, সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয়।

সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আজকের সমাবেশ-

 ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ও অন্যান্য সময় সংঘটিত সকল গণহত্যার বিচার,

রাষ্ট্রের সবস্তরে প্রয়োজনীয় মৌলিক সংস্কার,

ঐতিহাসিক জুলাই সনদ ও ঘোষণাপত্রের পূর্ণ বাস্তবায়ন,

জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতদের পরিবারের পুনর্বাসন,

জনগণের প্রকৃত মতামতের প্রতিফলন ঘটাতে পিআর (প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন,

প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার জন্য সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া এবং

রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের জন্য সমান সুযোগ ও ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিতকরণ।

দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ সম্পন্ন করতে তাদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে। মাঠ ব্যবস্থাপনা, প্রবেশপথ নিয়ন্ত্রণ, জরুরি সেবা ও অংশগ্রহণকারীদের সহায়তার জন্য নিয়োজিত থাকবে ছয় হাজারের বেশি স্বেচ্ছাসেবক।

সারাবাংলা/কেকে/এনজে
বিজ্ঞাপন

রাজকীয় স্বাদের ছানার কোপ্তা কারি
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৫৪

আরো