Tuesday 22 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

স্বাধীনতার পর ৯ম নির্বাচন, ডাকসুর শীর্ষ পদে আলোচনায় যারা

কানজুল কারাম কৌষিক, ঢাবি করেসপন্ডেন্ট
১ আগস্ট ২০২৫ ০৮:৫৮ | আপডেট: ১ আগস্ট ২০২৫ ১১:১৭

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসংসদ (ডাকসু) নির্বাচন। ছবি কোলাজ: সারাবাংলা

ঢাকা: ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ অনুযায়ী দেশের অন্যতম প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন প্রতিবছর হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে হয়েছে ৩৭ বার। এর মধ্যে স্বাধীনতার পর মাত্র আটবার। এবার স্বাধীনতার পর ৯ম বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন। গত ২৯ জুলাই ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। এর পর থেকে শীর্ষ পদে বিভিন্ন দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচন কেন্দ্রিক দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৯ আগস্ট পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে। প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে ২৫ আগস্ট। আর ভোটগ্রহণ হবে ৯ সেপ্টেম্বর। এই ভোটকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে সরব বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। শীর্ষ পদে বিভিন্ন দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে চলছে ব্যাপক আলোচনা। ক্যাম্পাসে ক্রিয়াশীল ২০টিরও বেশি ছাত্রসংগঠনের নেতারা এখন মাঠে সরব। এখন আলোচনায় তুঙ্গে কারা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এগিয়ে থাকবে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে।

বিজ্ঞাপন

বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ডাকসুর মনোনীত পাঁচ শিক্ষার্থী প্রতিনিধি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিনেটের সদস্য হয়ে শিক্ষার্থীদের স্বার্থ ও সমস্যা তুলে ধরবেন। তবে দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় নিয়মিত এই নির্বাচন হয় না। ফলে সিনেটেও নিয়মিত থাকছে না শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব। সর্বশেষ ডাকসু কমিটির মেয়াদ শেষ হয় ২০২০ সালের মার্চে। পরবর্তী সময়ে একে একে তিন উপাচার্যের আমলে প্রশাসনের আশ্বাসেই পাঁচবছর আটকে ছিল ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন। অবশেষে গত বছরের ৫ আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতনের পর পরিস্থিতি পালটে যা। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে পাঁচ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গতবছরের ডিসেম্বর থেকে ডাকসু নির্বাচন আয়োজনের কাজ শুরু করে। চলতি বছরের ১৬ জুন ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ১০ সদস্যবিশিষ্ট কমিশন গঠন করে প্রশাসন। সেই কমিশন গত ২৯ জুলাই ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে।

এদিকে নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতারা মাঠে সরব হয়েছেন। তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সু-সম্পর্ক তৈরি করতে কাজ করে চলেছেন বিভিন্ন উপায়ে। এদের মাঝে উল্লেখযোগ্য অংশ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী। তাদের কেউ কেউ দলীয় প্যানেল গোছাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ স্বতন্ত্র নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

ডাকসুতে প্যানেল দেবে ছাত্রসংগঠনগুলো

ক্যাম্পাসে সক্রিয় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অন্যতম ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ ও সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। এই দলগুলো আলাদা আলাদা প্যানেল ঘোষণা করবে বলে জানা গেছে। বামপন্থী কিছু সংগঠনের একটি প্যানেল নির্বাচনে দেখা যেতে পারে। এ ছাড়া, বিভিন্ন দলের কিছু সক্রিয় কর্মী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্যানেলের বাইরেও নির্বাচন করতে পারেন বলে জানা গেছে।

ডাকসুতে পদ বেড়েছে

সর্বশেষ ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে মোট ২৫টি পদের বিপরীতে ভোট দিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা। এবার সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদ দু’টিকে একটি করা হয়েছে। তবে এবার ডাকসুতে পদসংখ্যা বেড়েছে চারটি। ফলে এ বছর মোট ২৮টি পদের বিপরীতে লড়বেন প্রার্থীরা। যে চারটি পদ বাড়ানো হয়েছে সেগুলো হলো- গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক, ক্যারিয়ার উন্নয়ন সম্পাদক, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক এবং মানবাধিকার ও আইনবিষয়ক সম্পাদক।

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও অন্য একজন শিক্ষক ডাকসুর সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এর বাইরে সহ-সভাপতি (ভিপি) ও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদ তিনটি সবচেয়ে আলোচিত। এসব পদে প্রতিটি দল থেকেই শক্ত প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানা গেছে।

ভিপি-জিএস পদে লড়াইয়ে আলোচনা যারা

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ডাকসু নির্বাচনে ঢাবি শাখা সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান এবং কবি জসীমউদদীন হলের প্রচার সম্পাদক শেখ তানভীর বারী হামিম ভিপি-জিএস পদে লড়াইয়ের আলোচনায় রয়েছেন।

জানা গেছে, শিপন ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন। গতবছরের ১ মার্চ তিনি ঢাবি ছাত্রদলের দায়িত্ব পান। অন্যদিকে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী আবিদুল ইসলামও শিক্ষার্থীদের মাঝে বেশ পরিচিত। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শেষ দিকে হল ছাড়ার ঘোষণা এলে আন্দোলনকারীদের ‘প্লিজ কেউ কাউকে ছেড়ে যায়েন না’ বলে আলোচনায় আসেন তিনি।

এছাড়া, ২০১৮-১৯ সেশনের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী শেখ তানভীর বারী হামিমের উদ্যোগে কমল মেডিএইড নামে একটি সংগঠনটি সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ‍্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে কুরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা, আন্তঃহল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, স্বাস্থ্যসেবা ক‍্যাম্প, গার্লস কমনরুমে স‍্যানিটারি ভেন্ডিং মেশিন প্রতিস্থাপন, গরমে বিনামূল‍্যে লেবু পানি বিতরণসহ শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

এদিকে, ডাকসুতে ছাত্রশিবিরের পক্ষে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও ঢাবি শাখার সাবেক সভাপতি আবু সাদিক কায়েম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন। তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী। তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিবিরের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছিলেন বলে জানা যায়। এ ছাড়া ঢাবি শাখা ছাত্রশিবিরের বর্তমান সভাপতি এসএম ফরহাদও আলোচনায় রয়েছে। তিনি সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী। ফরহাদ জনপ্রিয় বিতার্কিক হিসেবেও। ছাত্রলীগে পদ থাকা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সমালোচনা থাকলেও বিভিন্ন সমস্যায় তাদের সাড়া দিয়ে তিনি বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন।

অপরদিকে, গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলন প্ল্যাটফর্মের ছাত্রসংগঠন গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার ও ঢাবি শাখার আহ্বায়ক আব্দুল কাদেরও আলোচনায় রয়েছেন। আব্দুল কাদের ঢাবির সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ৯ দফা ঘোষণা করে তিনি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। তিনি বহুদিন ধরে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অধিকার আদায়ে কাজ করে যাচ্ছেন। আর আবু বাকের মজুমদার ভূতত্ত্ব বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তাকে আসিফ মাহমুদ ও নাহিদ ইসলামসহ অন্যদের সঙ্গে আটক করে ডিবি পুলিশ। তিনিও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অধিকার আদায়ে সোচ্চার থাকেন।

এদের বাইরে আলোচনায় রয়েছেন প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী উমামা ফাতেমা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনের সাবেক মুখপাত্র তিনি। একসময় ছিলেন ছাত্র ফেডারেশন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক। সেই সময় থেকেই ডাকসু চেয়ে নানা আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন তিনি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। গত বছরের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম আন্দোলনকারী হিসেবেও তার খ্যাতি-পরিচিতি ব্যাপক।

ভিপি-জিএস পদে লড়াইয়ে আলোচনায় রয়েছেন ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা। লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের ছাত্র তিনি। ছিলেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম। ১২ মামলায় অভিযুক্ত ও চারবার কারানির্যাতন বরণকারী এই ছাত্রনেতা বর্তমানে ডাকসু চেয়ে আন্দোলন ও পিএসসি সংস্কারের আন্দোলন করে আলোচনায় আছেন। তার উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববদ্যালয়ের নারীদের প্রতিটি হলে স্বাস্থ্য উপকরণ হিসেবে ডিজিটাল স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন করা হচ্ছে। আগে থেকে স্থাপন করা অ্যানালগ মেশিনগুলোও সংস্কার করা হচ্ছে।

অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী জামালুদ্দীন মুহাম্মাদ খালিদ। তিনি আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী। তিনি ‘শিক্ষণ’ ও ‘আস্ সুফফাহ ইসলামিক ইনস্টিটিউট’র প্রতিষ্ঠাতা। স্বাধীন বাংলাদেশ ছাত্রসংসদ গঠনসহ নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এখন ডাকসু আন্দোলনের ব্যানারে সোচ্চার। আরও আলোচনায় রয়েছেন ছাত্র ইউনিয়ন (একাংশ) ঢাবি সংসদের সভাপতি মেঘমল্লার বসু। যিনি শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। আর একক প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ। তিনি বাংলা বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী। ট্রান্সজেন্ডার কোটা বাতিলসহ বিভিন্ন আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া এই শিক্ষার্থীও বেশ জনপ্রিয়।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মহিউদ্দিন মুজাহিদ মাহির নামও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এর আগে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১৭-২০১৮ সেশনের শিক্ষার্থী মাহি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন।

ভোটার প্রায় ৪০ হাজার

নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী এরই মধ্যে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন-২০২৫ এর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী এবার মোট ভোটার ৩৯ হাজার ৯৩২ জন। খসড়া ভোটার তালিকা হলগুলোর নোটিশ বোর্ডে এরই মধ্যে টাঙানো হয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগ ও ইনস্টিটিউটগুলোতেও তালিকা পাঠানো হয়েছে। ভোটারদের মধ্যে ছাত্র রয়েছেন ২০ হাজার ৯০৪ জন এবং ছাত্রী ১৯ হাজার ২৮ জন। মোট ভোটারের প্রায় ৫২ শতাংশ ছাত্র এবং ৪৭ শতাংশ ছাত্রী। এর মধ্যে সর্বাধিক ভোটার রোকেয়া হলে। এই হলটিতে ভোটারের সংখ্যা ৫ হাজার ৬৭৬ জন। এরপর রয়েছে কবি সুফিয়া কামাল হলে ৪ হাজার ৪৯৫ জন, শামসুন নাহার হলে ৪ হাজার ৯৮ জন, ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে ২ হাজার ৬৫১ জন এবং বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে ২ হাজার ১০৮ জন।

ছাত্রদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোটার জগন্নাথ হলে ২ হাজার ২৫৪ জন। এরপর শহীদুল্লাহ হলে ২ হাজার ১৭ জন, বিজয় একাত্তর হলে ২ হাজার ১৩ জন, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে ১ হাজার ৯৬১ জন এবং মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলে ১ হাজার ৭৩৫ জন, ফজলুল হক মুসলিম হলে ১ হাজার ৭৭৯ জন, শেখ মুজিবুর রহমান হলে ১ হাজার ৬০০ জন, মাস্টারদা সূর্যসেন হলে ১ হাজার ৪৯৫ জন, স্যার এ এফ রহমান হলে ১ হাজার ৪৮০ জন, হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হলে ১ হাজার ৩৯৪ জন, অমর একুশে হলে ১ হাজার ৩১৯ জন, কবি জসীমউদদীন হলে ১ হাজার ২৯৮ জন এবং সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে ৫৫৯ জন।

তফসিল অনুযায়ী, ভোটার তালিকা নিয়ে কেউ আপত্তি জানাতে চাইলে ৬ আগস্ট বিকেল ৪টার মধ্যে তা জমা দিতে হবে। আপত্তি যাচাই-বাছাই শেষে ১১ আগস্ট বিকেল ৪টায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

যা বলছে প্রশাসন

ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান সারাবাংলাকে বলেন, ‘অনেক বছর ডাকসু নির্বাচন হয়নি। এর আগে যে নির্বাচনের অভিজ্ঞতা হয়েছে, সেখানে ছাত্রদের অনেক অভিযোগ ছিল— বিশেষ করে নিরপেক্ষতার ঘাটতি নিয়ে। আমরা চাই সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আনন্দঘন পরিবেশে এ নির্বাচন আয়োজন করতে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, এই প্রশাসনের কোনো আলাদা এজেন্ডা নেই। আমরা কাউকে বিশেষ সুবিধা দিতে চাই না। আমাদের কোনো গোপন চিন্তাও নেই।’

সারাবাংলা/কেকে/পিটিএম
বিজ্ঞাপন

রাজকীয় স্বাদের ছানার কোপ্তা কারি
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৫৪

আরো