ঢাকা: রাজধানীর মহাখালী ফ্লাইওভারে একটি প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভিভাইডারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুইজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন। এ সময় গাড়িতে আগুন ধরে পুড়ে যায়।
নিহতরা হলেন- শওকত হোসেন কানন (৪০) এবং তার চাচাতো ভাই রিন্টু (৪২)। এছাড়া,হাসনাত (৪২) নামে একজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (৯ আগস্ট) ভোর ৫টার দিকে মুমূর্ষু অবস্থায় পথচারীরা কাননকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন এবং রিন্টুকে পথচারীরা কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে মারা যায়।
বনানী থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. সিদ্দিক হোসেন জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে মহাখালী ফ্লাইওভারের উপরে প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভিভাইডারের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে গাড়িতে থাকা তিনজন আহত হয়। পথচারীরা একজনকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে ও একজনকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে মারা যায়। আহত একজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাসায় যায়। ঘটনার পর প্রাইভেটকারে আগুন ধরে পুড়ে যায়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মহাখালীর ফ্লাইওভারের উপরের ওই ডিভাইডারটি প্রায় অন্ধকারে। ডিভাইডারের উপরে কোনো রং করা নেই। প্রায় সময়ই এখানে দুর্ঘটনা ঘটে।
তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে রিন্টু নামে একজনের মরদেহ কুর্মিটোলা হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়। দুজনের মরদেহ মর্গে রয়েছে।
এদিকে, মৃত্যুর খবর পেয়ে দুপুরে তাদের স্বজনরা হাসপাতালে ছুটে আসেন। মৃত শওকত হোসেন কাননের স্ত্রী মৌসুমী করিম জানান, তাদের বাড়ি হাজারীবাগ মনেশ্বর প্রথম লেনে। কাননের বাবার নাম মো. মুন্না। কানন একটি ইন্সুরেন্স কোম্পানীতে চাকরি করতেন।
নিহত রিন্টু ও কানন চাচাতো ভাই। রিন্টুর বাড়ি হাজারীবাগ মনেশ্বর প্রথম লেনে। বর্তমানে স্ত্রী সন্তান নিয়ে ধানমন্ডিতে থাকতেন তিনি। রিন্টুর ট্যানারীর ব্যবসা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রাইভেটকারটি রিন্টুর ছিল। তবে রাতে তারা তিনজন কোথায় গিয়েছিল তা জানা যায়নি।