Friday 16 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

১ লাখ ৯৩ হাজার টন জ্বালানি মজুত আছে: জ্বালানি বিভাগ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
৩১ মার্চ ২০২৬ ১৬:৪৮ | আপডেট: ৩১ মার্চ ২০২৬ ১৮:০৯

সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী।

ঢাকা: দেশে বর্তমানে এক লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ টন জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে সার্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেন বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী।

তিনি জানান, মোট মজুতের মধ্যে ডিজেলের পরিমাণ এক লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ টন, অকটেন ৭ হাজার ৯৪০ টন, পেট্রোল ১১ হাজার ৪৩১ টন এবং জেট ফুয়েল ৪৪ হাজার ৬০৯ টন। নিয়মিতভাবে নতুন কার্গো থেকে তেল খালাস হওয়ার ফলে সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রয়েছে এবং প্রতিদিনের চাহিদার বিপরীতে নতুন তেল মজুতে যুক্ত হচ্ছে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

বিজ্ঞাপন

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কেবল মজুত নয়, বরং ব্যবস্থাপনা ও পাচার রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।

মনির হোসেন চৌধুরী জানান, ডিজেল পাচার রোধে সরকারকে সর্বোচ্চ সজাগ থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত ৩ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত জ্বালানি তেলের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী মোট ৩ হাজার ৫৫৯টি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এসব অভিযানে অনিয়মের দায়ে ১ হাজার ২৪৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আদায় করা হয়েছে ৮৪ লাখ ৫১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড।

এছাড়া ১৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই সময়ে অবৈধভাবে মজুত করা মোট ২ লাখ ৯৬ হাজার ৩০৫ লিটার তেল উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে ২ লাখ ৭ হাজার ৩৬৫ লিটার ডিজেল, ২৮ হাজার ৯৩৮ লিটার অকটেন এবং ৬০ হাজার ২ লিটার পেট্রোল রয়েছে।

পাম্পগুলোতে তদারকি বাড়াতে নতুন করে ট্যাগ অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে আশা প্রকাশ করে মুখপাত্র বলেন, এই কর্মকর্তারা অত্যন্ত নিবিড়ভাবে তদারকি করবেন, ফলে জ্বালানি ব্যবস্থাপনা আগের চেয়ে অনেক বেশি উন্নত ও স্বচ্ছ হবে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জি-টু-জি (সরকার টু সরকার) চুক্তিতে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকলেও সরকার বিকল্প উৎস নিয়ে কাজ করছে। এরইমধ্যে অর্থনৈতিক ও ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে তেল কেনার একাধিক প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, যা অনুমোদিত হলে আমদানিতে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না।

গত বছরের এপ্রিলের তুলনায় এবার সরবরাহে কোনো ঘাটতি হবে না জানিয়ে তিনি দেশবাসীকে আতঙ্কিত না হয়ে স্বাভাবিকভাবে তেল সংগ্রহের আহ্বান জানান এবং রাতদিন পরিশ্রমের মাধ্যমে জ্বালানি খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

সারাবাংলা/এফএন/ইআ
বিজ্ঞাপন

রাজকীয় স্বাদের ছানার কোপ্তা কারি
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৫৪

আরো