Monday 05 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

অবৈধ সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন, পিতা-পুত্রের কারাদণ্ড

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২০ আগস্ট ২০২৬ ২০:৩৮ | আপডেট: ২০ আগস্ট ২০২৬ ২৩:৫৮

রায়। প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রাম: অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় কক্সবাজারের টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মো. আব্দুল্লাহকে চার বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহায়তার অভিযোগে তার বাবা আবুল বশরকে তিন বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

দুদকের পিপি মোকাররম হোসাইন বলেন, ‘আসামি মো. আবদুল্লাহ অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় চার বছরের কারাদণ্ডের দিয়েছেন। পাশাপাশি ৮৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮৫৮ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন।’

বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া আসামির বাবা আবুল বশরকে অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহায়তা করায় তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায়ের সময় আসামিরা আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা মূলে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৭ এপ্রিল মো. আব্দুল্লাহ’র নামে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়। নির্ধারিত সাত কার্যদিবসের মধ্যে, অর্থাৎ ৭ মে পর্যন্ত তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি। এমনকি পরবর্তীতে সময় বৃদ্ধির আবেদনও করেননি।

দুদকের অনুসন্ধানে আব্দুল্লাহ’র নামে মোট ১ কোটি ১০ লাখ ২৩ হাজার ৬৫ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এর বিপরীতে তার বৈধ আয়ের উৎস পাওয়া যায় ১০ লাখ টাকা। ফলে ১ কোটি ২৩ হাজার ৬৫ টাকার সম্পদ তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে অনুসন্ধানে উঠে আসে।

অন্যদিকে, তার বাবা আসামি আবুল বশর টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল নম্বর-২১৭৩ (০২/১১/২০১৬ইং) মূলে ২০ লাখ টাকা দিয়ে জমি কেনেন। পরবর্তীতে তিন মাসের মধ্যেই ওই জমি তার বড় ছেলে আসামি মো. আবদুল্লাহকে হেবা দলিল (নম্বর-৩৬৭, ০৭/০২/২০১৭ইং) করে দেন। অবৈধ সম্পদ বৈধ করার এই অপচেষ্টায় সহায়তা করায় আদালত আবুল বশরকে তিন বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

বিজ্ঞাপন

রাজকীয় স্বাদের ছানার কোপ্তা কারি
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৫৪

আরো

সম্পর্কিত খবর