Wednesday 08 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

৪ দিনের ভারী বর্ষণে প্লাবিত বান্দরবানের নিম্নাঞ্চল, পাহাড়ধসের আশঙ্কা

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
৮ জুলাই ২০২৬ ১৩:৩২

বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে বান্দরবান।

বান্দরবান: বান্দরবানে টানা চার দিনের ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকায় উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সেই সঙ্গে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার মানুষ। বান্দরবান সদরের আর্মি পাড়া, শেরেবাংলা নগর, ওয়াপদা ব্রিজ এলাকা, নদীর তীরবর্তী বাড়িঘরসহ বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

গত রোববার (৫ জুলাই) থেকে শরু হওয়া এ বৃষ্টিপাত আজ বুধবার (৮ জুলাই) পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে।

প্লাবিত এলাকার লোকজনকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, রাতে তাদেরকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

এদিকে সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ অবস্থায় জনগণকে সতর্ক করতে জেলার সাতটি উপজেলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে প্রতিনিয়ত মাইকিং করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

জেলার বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভারী বর্ষণের ফলে সাত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটছে।

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মো:সানিউল ফেরদৌস জানান, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো থেকে বসবাসরত নাগরিকদের সরে যেতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে, পানিবন্দি ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্রয়ের জন্য আমাদের বিদ্যালয়গুলোসহ সাত উপজেলায় ২২০ টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এছাড়াও সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের স্কুল, কলেজ পরিষ্কার করে খুলে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইউএনওদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসরতদের আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য। দুর্যোগ মোকাবেলায় সেনাবাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস প্রস্তুত রয়েছে এবং পর্যাপ্ত শুকনো খাবার রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অব্যাহত ভারী বর্ষণ ও জেলাজুড়ে পাহাড় ধসের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় জননিরাপত্তার স্বার্থে আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত জেলার সব পর্যটন কেন্দ্র,ঝর্ণা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ ও দুর্গম এলাকায় ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার জারি করেছে জেলা প্রশাসন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কেউ যেন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ভ্রমণ না করেন।

সারাবাংলা/এএ
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর