Wednesday 02 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

রিজেন্ট হাসপাতাল দুর্নীতি মামলা: সাহেদসহ ৬ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৪৪ | আপডেট: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭:২১

মোহাম্মদ সাহেদ করিম

ঢাকা: মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স থাকা সত্ত্বেও করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসাসেবা প্রদানের নামে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদসহ ছয় আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ৪ অক্টোবর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেছিলেন।

তবে নির্ধারিত দিনে কোনো সাক্ষী আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় দুদকের প্রসিকিউটর মো. নূরে আলম সময়ের আবেদন করেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৪ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট আদালতের উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী মিয়া জাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন— স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপ-পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. শফিউর রহমান এবং গবেষণা কর্মকর্তা ডা. দিদারুল ইসলাম।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১–এর তৎকালীন কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী মামলাটি দায়ের করেন।

অভিযোগে বলা হয়, রিজেন্ট হাসপাতালের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়।

মামলা দায়েরের সময় সাবেক মহাপরিচালক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ আসামি না থাকলেও তদন্তে সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়ায় পরে অভিযোগপত্রে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

২০২২ সালের ১২ জুন আদালত ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। মামলায় এখন পর্যন্ত ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে লাইসেন্স নবায়ন না হওয়া রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতাল হিসেবে অনুমোদনের ব্যবস্থা করেন এবং সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সম্পাদনের মাধ্যমে সরকারি প্রতিষ্ঠান নিপসমের ল্যাবে ৩ হাজার ৯৩৯ জন রোগীর নমুনা বিনামূল্যে পরীক্ষার ব্যবস্থা দেখিয়ে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করেন।

এতে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, হাসপাতালটিতে নমুনা পরীক্ষার জন্য রোগীপ্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা আদায় করা হয়। এছাড়া মিরপুর ও উত্তরা শাখার চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ডবয় এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের খাবার ব্যয় বাবদ ১ কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব তৈরি করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

দাম কমলো এলপিজির
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭:১৪

আরো

সম্পর্কিত খবর