Wednesday 02 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

রামপুরায় ২৮ হত্যা মামলা: সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে ১৬ সেপ্টেম্বর

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:৫২

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিজিবি কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলামসহ চার আসামির বিরুদ্ধে নির্ধারিত সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এর সদস্য বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন। নির্ধারিত দিনে সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন তারিখ ধার্য করা হয়।

ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন প্রসিকিউটর তাসমিরুল ইসলাম। তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, মোহাম্মদ অলি মিয়াসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

বিজ্ঞাপন

শুনানিতে প্রসিকিউটর তাসমিরুল ইসলাম আদালতকে জানান, এদিন সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য থাকলেও সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় ১৫ দিনের সময় প্রয়োজন। এ সময় বিচারক আসামিপক্ষের আইনজীবীদের মতামত জানতে চাইলে তারা কোনো আপত্তি জানাননি। পরে ট্রাইব্যুনাল আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন নির্ধারণ করেন।

এর আগে, গত ২০ আগস্ট মামলায় ১২তম সাক্ষী হিসেবে শিক্ষার্থী রাতুল হাসান জবানবন্দি দেন।

এদিন সকালে মামলার গ্রেফতার হওয়া দুই আসামি লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম এবং বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা মেজর মো. রাফাত বিন আলমকে ঢাকার সেনানিবাসের বিশেষ কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

মামলার অপর দুই আসামি—ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম এবং রামপুরা থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মশিউর রহমান বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

এর আগে, ২০২৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল-১ চার আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় দেশজুড়ে সংঘটিত সহিংসতার মধ্যে রামপুরায় ২৮ জন নিহত এবং আরও বহু মানুষ আহত হন। অভিযোগে বলা হয়েছে, রামপুরায় আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি চালানোর ঘটনায় লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলামের সম্পৃক্ততা রয়েছে এবং অন্য আসামিরাও হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব ও সহযোগিতা করেছেন। তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে চারজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করে প্রসিকিউশন।

 

সারাবাংলা/টিএম/এআর
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর