Friday 07 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

টানা বৃষ্টিতে বরিশালে বেড়েছে ডেঙ্গুর প্রকোপ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
৪ অক্টোবর ২০২৪ ১৫:০৪

ডেঙ্গু। ছবি: সারাবাংলা

বরিশাল: টানা বৃষ্টির কারণে বরিশাল বিভাগে বেড়েছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। সরকারি হিসেব মতে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত পুরো বিভাগে ১৯ জন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সর্বোচ্চ ১৩ জন, বরগুনায় দুইজন, পটুয়াখালীতে দুইজন, পিরোজপুর ও ভোলাতে একজন করে মারা গেছেন।

এছাড়াও বরিশাল বিভাগের হাসপাতালগুলোতে তিন হাজার ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন দুই হাজারের ৭৫০ রোগী। বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন ২৭৬ জন।

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, বৃষ্টি বাড়লেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। তখন মশার বৃদ্ধি ঘটে। তখনই আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, প্রতিরোধ ছাড়া কোনো উপায় নেই। বৃষ্টি হলে যেখানে পানি জমে, সেখানে মশার আবাসস্থল হয়ে ওঠে। মশার বিস্তার যেন না হয় সেই ব্যবস্থা করতে হবে। ঘুমানোর আগে অবশ্যই মশারি টানাতে হবে।

পরিচালক বলেন, বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিকে ভর্তি হওয়া ছাড়াও অনেক রোগী বাসায়ও চিকিৎসা নিচ্ছেন। সরকারি হাসপাতালে যত রোগী ভর্তি হয়েছে, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি। প্রকৃত সংখ্যা থাকলে সবাই বুঝতো ডেঙ্গু কত ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।

ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, বৃষ্টি হলে যেখানে পানি জমে, সেখানে মশার আবাসস্থল হয়ে উঠে। মশার বিস্তার যেন না ঘটে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। ঘুমানোর আগে অবশ্যই মশারি টানাতে হবে।

প্রতিরোধ ছাড়া কোনো উপায় নেই জানিয়ে পরিচালক বলেন, আমাদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার মতো সামর্থ্য রয়েছে। তবুও প্রতিরোধে এগিয়ে আসাই উত্তম।

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য দফতর থেকে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. মনির হোসেন (৫০) নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়। তিনি গলাচিপা পৌরসভার বাসিন্দা। গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের দুটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ৬ সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৯০ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন।

ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৯ জন বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, ৯ জন পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, ভোলা জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ছয়জন, বরিশালে ১৩ জন, পটুয়াখালীতে ১৯ জন, পিরোজপুরে আটজন, বরগুনায় ২০ এবং ঝালকাঠিতে ছয়জন আছেন।

সারাবাংলা/ইআ