Saturday 08 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

কেন্দ্রে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে ছাত্রদল নেতার অভিযোগ, সহযোগীদের বিরুদ্ধে জিডি

ঢাবি করেসপন্ডেন্ট
১৫ অক্টোবর ২০২৪ ১৯:২৩ | আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৪ ১৪:৩৪

ঢাকা: শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় সাবেক যুবদল নেতা এস এম জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন উত্তরখান থানা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তফা কামাল। সেইসঙ্গে তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছেন।

শনিবার (১২ অক্টোবর) জমা দেওয়া অভিযোগে বলা হয়, এস এম জাহাঙ্গীরের নির্দেশে উত্তরখান থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক উত্তরখান থানা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তফা কামালকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে।

মোস্তফা কামাল লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, গত শনিবার (১২ অক্টোবর) উত্তরখান ময়না টেকে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। ওই মতবিনিময়ে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান। সেই সভার ব্যানার লাগানোর সময় উত্তর খান থানা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামালকে উত্তরখান থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর ব্যাপারী শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। যার সরাসরি নির্দেশদাতা ছিলেন সাবেক যুবদল নেতা এস এম জাহাঙ্গীর।

বিজ্ঞাপন

অভিযোগে বলা হয়, এস এম জাহাঙ্গীরের চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের চিত্র জাতীয় পত্রিকাগুলোতে এরই মধ্যে বিশেষভাবে ফুটে উঠেছে। তার বাহিনীর কয়েকজন সদস্যকে যৌথবাহিনী গ্রেফতারও করেছে এবং তার অন্যতম সহযোগী উত্তরা পশ্চিম থানার যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ আজমল হুদা মিঠুকে বিএনপি থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই প্রোগ্রামে তার এই চাঁদাবাজির কথা বলার কারণে এস এম জাহাঙ্গীরের নির্দেশে জাহাঙ্গীর বেপারী তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে।

এদিকে, শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে উত্তর খান থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন মোস্তফা কামাল। সেখানে মো. জাহাঙ্গীর বেপারী ও মোমেন বেপারীকে বিবাদী করা হয়েছে।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়, মৈনারটেক পূজা মন্দিরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খানের আগমন উপলক্ষ্যে আমি ও আমার নেতা কর্মী উপস্থিত হলে ১ ও ২ নম্বর বিবাদী আমাকে কিল-ঘুষি ও চড়-থাপ্পর মারে এবং ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন।

এর পর উত্তরখান থানার উপপরির্দক (এসআই) মো. আবদুস ছালামকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

অপর দিকে অভিযোগের সত্যতা জানতে এস এম জাহাঙ্গীরকে একাধিকবার ফোনে কল করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

সারাবাংলা/এআইএন/পিটিএম