Thursday 20 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

‘আধুনিক কৃষির নামে সার ও কীটনাশক ব্যবহার হচ্ছে’

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
২০ ডিসেম্বর ২০২৪ ২১:৫৭ | আপডেট: ২১ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৭:৩৬

খাদ্য ও শস্য মেলায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

ঢাকা: আধুনিক কৃষির নামে সার ও কীটনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে মন্তব্য করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, ‘খাদ্য কেবল খাদ্য নয়, সাধুরা খাদ্যকে শরীর সেবা করা বলে থাকেন। আমরা যদি সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে চাই তাহলে আমাদের পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। আধুনিক উৎপাদন ও কৃষির নামে সার ও কীটনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, আদি বীজও নষ্ট করা হচ্ছে।’

শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) রাজধানীর মিরপুর ১৩-তে অবস্থিত বনফুল আদিবাসী গ্রীনহার্ট কলেজ প্রাঙ্গণে উন্নয়ন সংগঠন নাগরিক উদ্যোগ এবং বঞ্চিত আদিবাসী শিক্ষার্থীদের জন্য গড়ে উঠা মহা প্রজ্ঞা এডুকেশন ট্রাস্ট-এর যৌথ আয়োজনে আদিবাসী খাদ্য ও শস্য মেলা-২০২৪ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

উপদেষ্টা বলেন, ‘পাহাড় ও দেশের অন্য জায়গায় যেসব ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বা রয়েছে তাদের টিকিয়ে রাখতে দেশের নাগরিকদের কাজ করতে হবে। তামাক চাষ এবং রাবার বাগান পাহাড়ি অঞ্চলের জমি নষ্ট করছে। এসবের পরিবর্তে স্থানীয় ফসল ও খাদ্য উৎপাদনে জোর দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা কাপ্তাই হ্রদে মাছের অভয়ারণ্য গড়ে তোলার উদ্যোগ নিচ্ছি যাতে হারিয়ে যাওয়া দেশীয় মাছ ফিরিয়ে আনা যায়। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় হারিয়ে যাওয়া মাছ ফিরিয়ে আনা, মাছের অভয়ারণ্য সৃষ্টির মাধ্যমে মাছ রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস। এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন।

বক্তারা অর্গানিক খাবারের গুরুত্ব ও পাহাড়ি অর্থনীতির উন্নয়নের ওপর আলোকপাত করেন। পাশাপাশি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা বলেন, শুধু অর্গানিক খাবার নয়, পাহাড়ি অঞ্চলের শস্য এবং ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি সংরক্ষণ করতে হবে যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এর উপকার পায়। পরে উপদেষ্টা আদিবাসী খাদ্য ও শস্য মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য, দেশের শহুরে নাগরিক জনগোষ্ঠীকে আদিবাসীদের বৈচিত্র্যময় সমৃদ্ধ জুম কৃষির বিভিন্ন শস্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য এই মেলার আয়োজন। আদিবাসী উদ্যোক্তরা যেন বেশি বেশি ভোক্তাদের আকৃষ্ট করতে পারেন সেই তাগিদ থেকেই আদিবাসী খাদ্য ও শস্য মেলা-২০২৪ আয়োজন করা হয়েছে।

সারাবাংলা/ইএইচটি/এসআর