Friday 21 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

৬৯৫ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন, তাপস ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
৫ জানুয়ারি ২০২৫ ১৬:৩২ | আপডেট: ৫ জানুয়ারি ২০২৫ ১৭:৩৪

সাবেক মেয়র তাপস ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলা।

ঢাকা: ৮০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৬১৫ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সাবেক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ও তার স্ত্রী আফরিন তাপসের বিরুদ্ধে পৃথক দুই মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (৫ জানুয়ারি) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে দুদকের উপ-পরিচালক মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা দুটি দায়ের করেন। দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, শেখ ফজলে নূর তাপসের বিরুদ্ধে প্রায় ৭৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ, ২৭ ব্যাংক হিসাবে ৫৩৮ কোটি টাকা ও ৫ লাখ মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তার স্ত্রী আফরিন তাপসের বিরুদ্ধে ৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ, ৯টি ব্যাংক হিসাবে ৭০ কোটি ৮৯ লাখ ও ৩ লাখ ৯৫ হাজার মার্কিন ডলারের অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মামলার অভিযোগে বলা হয়, টেন্ডার, ইজারা, নিয়োগ, দোকান বরাদ্দসহ অসংখ্য কাজ করেন তিনি আত্মীয়-স্বজন ও তার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। পুরো সংস্থায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দুর্নীতির রাজত্ব করেন তাপস। গত চার বছরে শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দুর্নীতির দায়ে চাকরিচ্যুত করেন তিনি। তাদের চাকরিচ্যুত করেই নিজের আধিপত্য বিস্তার করছেন। গত চার বছরে ভারী গাড়ির ১৪৩ জন চালক, ৬৬ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলী, ৭৭ জন হিসাব সহকারী, ২৭ জন রেভিনিউ সুপারভাইজার, ৩১ জন পরিচ্ছন্ন পরিদর্শক, ২০ জন স্প্রে-ম্যান সুপারভাইজারসহ বিভিন্ন বিভাগে সর্বমোট ৮৭৯ জন জনবল নিয়োগ দেন। যার মাধ্যমে কয়েকশ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এর আগে গত ৮ অক্টোবর সাবেক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, তার স্ত্রী আফরিন তাপস শিউলি, ছেলে শেখ ফজলে নাশওয়ান এবং তাদের ব্যক্তিমালিকানাধীন স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

সারাবাংলা/জিএস/এমপি